June 14, 2026, 3:46 pm

শিরোনাম :
সান্তাহারে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রাকার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু নন্দীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি মোশারফ বাকেরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ বাকেরগঞ্জে গাঁজা গাছসহ একজন গ্রেপ্তার সাপাহার জবই বিলে বৃক্ষ রোপণ ও পরিচ্ছন্ন অভিযান সাপাহারে আমের বিপনন ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সীমান্তে ভয়াবহ মাদকের বিস্তার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে যুব সমাজ ভাঙা ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন, পুনর্বাসনের আশায় বৃদ্ধ লুৎফর রহমান

রংপুরে দখিগঞ্জ বধ্যভূমি দিবস পালন

রংপুর অফিসঃ

রংপুরে দখিগঞ্জ বধ্যভূমি দিবস পালিত হয়েছে। দখিগঞ্জ শ্মশান বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন, সংগঠক ডাঃ মফিজুল ইসলাম মান্টু, মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ, সাংবাদিক বাবলু নাগ, কবি ও সাহিত্যিক মওদুদ আহমেদ, সংগঠক দেবদাস ঘোষ দেবুসহ অন্যরা। এ সময় দখিগঞ্জ বধ্যভূমিসহ রংপুরের সকল বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও সংষ্কারের দাবী জানানো হয়। সেই সাথে বধ্যভূমির ইতিহাস সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়াসহ সরকারকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩ এপ্রিল রংপুর-মাহিগঞ্জ সড়কের দখিগঞ্জ শ্মশানে মধ্য রাতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ভ্যানে ১১ জন স্বাধীনতাকামীকে নিয়ে আসা হয়। চোখ-হাত বাঁধা সারিবদ্ধভাবে তাদের দাঁড় করিয়ে গুলি করে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। গণহত্যার শিকার হন ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ওয়াই এ মাহফুজ আলী জররেজ, শ্রী দূর্গাদাস অধিকারী, ক্ষীতিশ হালদার, গোপাল চন্দ্র, এহসানুল হক দুলাল, তোফাজ্জল হোসেন মহররম, রফিকুল ইসলাম, উত্তম কুমার অধিকারী গোপাল, শান্তি চাকী ও পাগলা দরবেশ। এটিই রংপুরের প্রথম গণহত্যার ইতিহাস। কিন্তু এতে আলৌকিকভাবে বেঁচে যান দীনেশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে মন্টু ডাক্তার। গণহত্যায় সারির সামনে থাকা শহীদরা মন্টু ডাক্তারের শরীরে পড়ে যাওয়া তার পায়ে গুলি লাগে। মন্টু ডাক্তারও মারা গেছে ভেবে চলে যায় হানাদার বাহিনী। এরপর মন্টু ডাক্তার লাশের স্তুপ থেকে বেরিয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে তিনি অন্যদের সহযোগিতায় ভারতে চলে যান এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *