• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯
শিরোনামঃ
মহাদেবপুর ইউএনওকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশ আদালতের বৈধ আদেশ প্রতিপালন না করায় কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? নাগেশ্বরীর কলেজ মোড়ে ১ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইকচালক গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা মুকিত পার্থ এবার মোটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে আটক পোরশায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু দনিয়া কলেজে শিক্ষক প্রতিনিধি থেকে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগে অভিনব নাটক! পোরশা সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে দুই বাংলাদেশি আটক সাপে কাটলে ওঝা নয়, হাসপাতালে আসার পরামর্শ পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি: বাবা-ছেলে নিখোঁজ নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির ‘তাল বেলাল’ মান্দার ‘ভাইরাল বটগাছ’ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

রংপুরে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস উপলক্ষে স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

Reporter Name / ৯৩ Time View
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

রংপুর অফিসঃ

রংপুরে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে নগরীর নিসবেতগঞ্জ ‘রক্তগৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মোতালেব সরকার, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীনসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ সময় শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ স্বাধীনতার আন্দোলনে রংপুরে শহীদ হন কিশোর শংঙ্কু সমজদার। এরপর ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষনের পর রংপুরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ২৪ মার্চ নিসবেতগঞ্জ এলাকায় স্থানীয় মাংস বিক্রেতা শাহেদ আলী পাকিস্তানী বাহিনীর একটি জীপ গাড়িতে হামলা চালিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়াসহ আব্বাসী নামে এক সেনা সদস্যকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এনিয়ে গোটা শহরে উত্তেজনা বিরাজ করে। এতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ক্রোধে ফেটে পড়ে। ২৮ মার্চ ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাওয়ের জন্য মুক্তিকামী মানুষদের একাট্টা করতে বিভিন্ন হাট-বাজার এলাকায় ঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়। এতে রংপুর সদর, গঙ্গাচড়া বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র, কৃষক, দিনমজুরসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব পেশার মানুষ দা, কোদাল, কুড়াল, বর্শা, বল্লম হাতে নিসবেতগঞ্জ এলাকায় একত্রিত হন। বিশেষ করে আদিবাসী সাঁওতালরা তীর-ধনুক হাতে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করতে আসেন। বেলা ১১টার দিকে হাজার হাজার মানুষ ক্যান্টনমেন্টের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলে ক্যান্টনমেন্ট থেকে জীপ গাড়িতে করে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বের হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলি ছুড়ে। এতে ৫ মিনিটের মধ্যে পুরো নিসবেতগঞ্জ এলকায় স্তব্ধ হয়ে পড়ে, মাঠে পড়ে থাকে হাজার হাজার মরদেহ। পরবর্তীতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মরদেহগুলো একখানে জড়ো করে পুড়িয়ে ফেলে হানাদার বাহিনী। তখনও যাঁরা বেঁচে ছিলেন তাদের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। ২৮ মার্চ ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাওয়ে শহীদদের স্মরণে নিসবেতগঞ্জে গড়ে তোলা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ ‘রক্তগৌরব’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com