June 15, 2026, 1:12 am

শিরোনাম :
নন্দীগ্রামে গলায় দড়ি দিয়ে সিএনজি চালকের আত্মহত্যা সান্তাহারে বিদ্যুৎ এর তারে জড়িয়ে প্রান গেল কিশোরের সান্তাহারে রাকিকা আক্তার রাকার খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন  শিবিরের ধর্ষণের বিরুদ্ধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বাকেরগঞ্জে কলেজছাত্র সজিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার নন্দীগ্রামে পিইপির মানবিক উদ্যোগে ৩১ হতদরিদ্র পরিবার পেল সহায়তা টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় বিল ইজারার দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন

সাতক্ষীরায় ২৫ শে মার্চ গণহত্যা দিবসে বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও আলোচনা সভা

এস কে কামরুল হাসান সাতক্ষীরা প্রতিবেদকঃ          ঐতিহাসিক গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান বক্তারা।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ শহরের সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত থেকে শহীদদের স্মরণ করেন। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।

পরে সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশুসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালায়। সেই রাতেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম সাতক্ষীরা দেবহাটা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয় এবং হাজার হাজার মানুষকে নৃশংস হবে হত্যা করা হয়।

বক্তারা আরো বলেন, ওই সময় পাক হানাদার বাহিনী রাজাকারদের সহযোগিতায় গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। সাতক্ষীরাতেও এর নির্মম স্মৃতি রয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচাতে সীমান্তের দিকে ছুটে যাওয়া সাধারণ মানুষ সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিলে সেখানে প্রায় চার শতাধিক নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়- যা সাতক্ষীরার ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক অধ্যায়।

সভায় বক্তারা বলেন, স্মৃতি বিজড়িত বধ্যভূমি সরকার সংরক্ষণ না করায় আমরা হতাশ হয়েছি।

জাতির এই বেদনাবিধূর দিনটি স্মরণ করতেই প্রতি বছর ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানানো এবং শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *