June 14, 2026, 3:53 pm

শিরোনাম :
সান্তাহারে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রাকার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু নন্দীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি মোশারফ বাকেরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ বাকেরগঞ্জে গাঁজা গাছসহ একজন গ্রেপ্তার সাপাহার জবই বিলে বৃক্ষ রোপণ ও পরিচ্ছন্ন অভিযান সাপাহারে আমের বিপনন ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সীমান্তে ভয়াবহ মাদকের বিস্তার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে যুব সমাজ ভাঙা ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন, পুনর্বাসনের আশায় বৃদ্ধ লুৎফর রহমান

সীমান্ত পেরিয়ে আসা ভারতীয় শিশুকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে আটক ১

তন্ময় দেবনাথ ব্যুরো প্রধান রাজশাহী :

রাজশাহী মহানগরীতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসা এক ভারতীয় শিশুকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে নুরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে থানাধীন শেখেরচক মাদ্রাসা মাঠ এলাকা থেকে তাকে শিশুসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক নুরুল ইসলাম ওই এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম আলহাজ্ব মোঃ মাখন শেখ। ভুক্তভোগী শিশু মোঃ রাহিম শেখ (১২), ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার ইসলামপুর থানার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম শফিকুল ইসলাম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় তিন দিন আগে রাজশাহী নগরীর তালাইমারী এলাকায় শিশুটি ঘোরাফেরা করছিল। এসময় নুরুল ইসলাম শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন। পরবর্তীতে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। শিশুটির বাবা বাংলাদেশে অবস্থানরত আত্মীয় মোঃ মারুফ (হরিপুর, পবা, রাজশাহী) কে শিশুটিকে নিয়ে আসার জন্য নুরুল ইসলামের বাড়িতে পাঠান।
অভিযোগ রয়েছে, মারুফ শিশুটিকে নিতে গেলে নুরুল ইসলামের পক্ষ থেকে তার কাছে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি মারুফ বোয়ালিয়া থানায় জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে নুরুল ইসলাম ও শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসে।
তবে নুরুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিশুটিকে নিতে আসা ব্যক্তিদের তারা চিনতেন না, তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সরাসরি তাদের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর না করে শিশুটির বাবার কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *