• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪
শিরোনামঃ
সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি সাপাহারে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জনের কারাদণ্ড নন্দীগ্রামে কৃষকের ঘামে ভেজা টাকায় ভাগ বসাতে মরিয়া সার সিন্ডিকেট সাংবাদিকের ছবি পোস্ট করে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা নাজিরপুরে শিক্ষক-কর্মচারীদের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-জমি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় মানববন্ধন নন্দীগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে নবাগত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামের যোগদান সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রদল নেতা ও মহিলা দল নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন যশোরে সাংবাদিক পরিচয়ে ঘের দখলের নির্দেশ, অস্ত্রসহ আটক ৩

সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি

মো: তুহিন ইসলাম আদমদিঘী বগুড়া / ১৩ Time View
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য মূলক আচরণ এবং জোর পূর্বক তার কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রতিকার এবং সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকবৃন্দের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে রহস্যজনক ভাবে ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করে আসছেন। শিক্ষকের এমন রুক্ষ আচরণের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ভীতি এবং মানসিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।
ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পত্রে আরও একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করা হয়। সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের ৩য় তলায় তাঁর একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেই কোচিংয়ে না পড়লে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা চরম উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, স্কুলের পর কোচিং করাতেই পারি। তাছাড়া এই স্কুলের পড়াশোনার পরিস্থতি বর্তমানে ভালো নয়। এজন্য দুর্বল শিক্ষার্থীরা আমার কোচিংয়ে পড়তেই পারে। আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য বা দুর্ব্যবহার করিনা। ওদের শাসন করার কারনে এমন অভিযোগ তুলতে পারে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষক নিজেই কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী টানতে পারবেন- এটি কোনো নীতিমালায় নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকরা এসে ওই শিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com