• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১
শিরোনামঃ
মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলের প্রত্যয়ে নওগাঁয় দিনব্যাপী ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ মঙ্গলবার দুমকিকে মাদকমুক্ত করার দাবিতে ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ, আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি রাজশাহীর জেলার ডিবি পুলিশের অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, বিদেশী পিস্তল, গুলি সহ ১ জন নারী আটক আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডে তরুণ কাউন্সিলর প্রার্থী হারুন অর রশিদ গণসংযোগ ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে বাঘায় খাটের নিচে মিলল দুই পিস্তল, গুলিসহ নারী আটক রাজশাহীর বাঘায় অসচ্ছল দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রাকিব রাজশাহীর বাঘায় অসচ্ছল দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রাকিব। পবিপ্রবির প্রথম গেটের প্রধান সড়কেই বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা আদমদীঘিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্ধোধন

রংপুরে দখিগঞ্জ বধ্যভূমি দিবস পালন

Reporter Name / ১৩৬ Time View
শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

রংপুর অফিসঃ

রংপুরে দখিগঞ্জ বধ্যভূমি দিবস পালিত হয়েছে। দখিগঞ্জ শ্মশান বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন, সংগঠক ডাঃ মফিজুল ইসলাম মান্টু, মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ, সাংবাদিক বাবলু নাগ, কবি ও সাহিত্যিক মওদুদ আহমেদ, সংগঠক দেবদাস ঘোষ দেবুসহ অন্যরা। এ সময় দখিগঞ্জ বধ্যভূমিসহ রংপুরের সকল বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও সংষ্কারের দাবী জানানো হয়। সেই সাথে বধ্যভূমির ইতিহাস সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়াসহ সরকারকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩ এপ্রিল রংপুর-মাহিগঞ্জ সড়কের দখিগঞ্জ শ্মশানে মধ্য রাতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ভ্যানে ১১ জন স্বাধীনতাকামীকে নিয়ে আসা হয়। চোখ-হাত বাঁধা সারিবদ্ধভাবে তাদের দাঁড় করিয়ে গুলি করে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। গণহত্যার শিকার হন ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ওয়াই এ মাহফুজ আলী জররেজ, শ্রী দূর্গাদাস অধিকারী, ক্ষীতিশ হালদার, গোপাল চন্দ্র, এহসানুল হক দুলাল, তোফাজ্জল হোসেন মহররম, রফিকুল ইসলাম, উত্তম কুমার অধিকারী গোপাল, শান্তি চাকী ও পাগলা দরবেশ। এটিই রংপুরের প্রথম গণহত্যার ইতিহাস। কিন্তু এতে আলৌকিকভাবে বেঁচে যান দীনেশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে মন্টু ডাক্তার। গণহত্যায় সারির সামনে থাকা শহীদরা মন্টু ডাক্তারের শরীরে পড়ে যাওয়া তার পায়ে গুলি লাগে। মন্টু ডাক্তারও মারা গেছে ভেবে চলে যায় হানাদার বাহিনী। এরপর মন্টু ডাক্তার লাশের স্তুপ থেকে বেরিয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে তিনি অন্যদের সহযোগিতায় ভারতে চলে যান এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com