June 14, 2026, 6:57 pm

শিরোনাম :
নন্দীগ্রামে পিইপির মানবিক উদ্যোগে ৩১ হতদরিদ্র পরিবার পেল সহায়তা টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় বিল ইজারার দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন সান্তাহারে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রাকার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু নন্দীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি মোশারফ বাকেরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ বাকেরগঞ্জে গাঁজা গাছসহ একজন গ্রেপ্তার

নীলফামারীতে মসজিদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষোভ, অর্ধশতাধিক মানুষের স্বাক্ষরে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

মো: রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রতিনিধি:

প্রতিটি ইউনিয়নে ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে একটি ছোট ওয়াক্তিয়া মসজিদকে সরকারি সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে বড় ও ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ নির্বাচন করে ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং মডেল মসজিদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অধিক সংখ্যক মুসল্লির জন্য উপযোগী কেন্দ্রীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা।
কিন্তু গোড়গ্রাম ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ও বৃহৎ জামে মসজিদগুলো থাকা সত্ত্বেও ‘জমিরপাড়া ওয়াক্তিয়া মসজিদ’ নামের একটি ছোট মসজিদকে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বলেন, নির্বাচিত মসজিদটি আয়তনে ছোট এবং সেখানে বড় জামাত আয়োজনের মতো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। ইউনিয়নের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোকে উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ পরিপন্থী। এতে করে ইউনিয়নের বৃহত্তর মুসল্লি ও সাধারণ জনগণ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অর্ধ শতাধিক মানুষের স্বাক্ষর করা একটি গণস্বাক্ষরও জমা দিয়েছেন। তারা সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বড় ও ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদকে সরকারি সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য মসজিদকে নির্বাচিত করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *