• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১
শিরোনামঃ
অ্যাব এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনের উপস্থিতিতে মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সান্তাহারে আশা আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ ; ফ্যাক্টারী সিলগালা নীলফামারী আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা ধামইরহাটে সংঘাত নয়-শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দুমকিতে মাদকের প্রতিবাদ করায় সাবেক ছাত্রনেতার ওপর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজগংয়ের হামলা পোরশায় কোয়ারেন্টাইনে মারা যাওয়া ছাগলের বদলে নতুন ছাগী পেল ৩২ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার মহাদেবপুর ইউএনওকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশ আদালতের বৈধ আদেশ প্রতিপালন না করায় কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? নাগেশ্বরীর কলেজ মোড়ে ১ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইকচালক গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা মুকিত পার্থ এবার মোটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে আটক পোরশায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু

জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ ভাগ কৃষিখাতে বরাদ্দের দাবিতে রংপুরে সমাবেশ

Reporter Name / ৬৯ Time View
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

রংপুর অফিস ॥ জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ভাগ কৃষিখাতে বরাদ্দসহ ১১ দফা দাবিতে রংপুরে মিছিল, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে রংপুর জেলা সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষকফ্রন্ট। রবিবার (১৭ মে) রংপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি মিছিল বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মমিনুল ইসলামের সভাপতিতে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর জেলা বাসদের আহবায়ক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস, জেলা সাধারণ সম্পাদক অমল সরকার, মিঠাপুকুর উপজেলা সংগঠক আতিয়ার রহমানসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে এখনও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কৃষি । মোট শ্রমশক্তির ৪৪ ভাগ কৃষিতে যুক্ত। রাষ্ট্র ও সরকারের চরম অবহেলার পরেও একক খাত হিসেবে কৃষি জিডিপিতে ১১ শতাংশ অবদান রাখছে। তবুও কৃষকদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে না সরকার। পর পর তিন ফসলের দাম না পেয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ফসল আবাদে দিন দিন বাড়ছে খরচ। সেচ খরচ, সারের দাম, কীটনাশকের দামসহ প্রায় সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের এবারের ধান আবাদে খরচ হয়েছে মণ প্রতি ১১’শ থেকে ১২’শ টাকা। সেখানে কৃষক দাম পাচ্ছে মাত্র ৭’শ থেকে ৮’শ টাকা।
বক্তারা আরও বলেন, বীজ-সার নিয়ে দুর্নীতি, ভেজাল সার, নিম্নমানের বীজ, কীটনাশকের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। সরকারি ক্রয়কেন্দ্র, প্রয়োজনীয় সরকারি হিমাগার-সাইলো ও সংরক্ষণাগার না থাকায় কৃষক মৌসুমে ফসল ওঠার পরই কমদামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াও মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, কালোবাজারি, ফড়িয়াদের দৌরাত্ম্যে লাভজনক দাম না পেয়ে কৃষক সর্বস্বান্ত হচ্ছে।
সমাবেশে আসন্ন বাজেটে কৃষিখাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ ভাগ বরাদ্দ করে বিএডিসিকে পূর্ণমাত্রায় কার্যকর, কৃষকদের বিনা সুদে কৃষিঋণ প্রদান ভেজাল ও মানহীন বীজের সরবরাহ বন্ধ, কৃষি উপকরণের দাম কমানো, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকদের কাছ থেকে ফসল ক্রয়, শস্যবীমা চালুসহ ১১ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। এরপর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com