• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৯
শিরোনামঃ
বাঘায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নগদ ৩ লক্ষ টাকাসহ ১০টি ঘর ভস্মীভূত! বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর সেনা মোজাফফর আলী ভূঁইয়ার মৃত্যু:রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নন্দীগ্রামে চিকিৎসাসেবাকে আরও জনবান্ধব করতে ডা. লিটনের চেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি পোরশায় কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন সান্তাহারে পিরানহা মাছ চাষ করায় অভিযান; দুই মাছ চাষীকে অর্থদণ্ড প্রদান কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‌্যাগিংয়ের নির্মমতায় হাসপাতালে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী, তদন্তে প্রশাসন নওগাঁয় জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার খরচ মেটাতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ও ৬ সাংবাদিককে মারধর: দুই ওসির প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে মরহুম কোকোর জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবকদলের চারা বিতরণ

পোল্ট্রিখাতের উন্নয়নে রংপুরে বিভাগীয় কারিগরি কর্মশালা

Reporter Name / ১০৫ Time View
শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

রংপুর অফিসঃ

পোল্ট্রিখাতকে নিরাপদ ও লাভজনক করতে রংপুরে বিভাগীয় কারিগরি কর্মশালা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ওয়াপসা’র উদ্যোগে পর্যটন মোটেলে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরিচালক ডাঃ আব্দুল হাই সরকার। ওয়াপসা’র প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সাজেদুল করিম সরকার, পোল্টি উদ্যোক্তা সাহেদা পারভীন তৃষা। কর্মশালায় বক্তারা জানান, ওয়াপসা’র উদ্যোগে পোল্ট্রি শিল্প নিয়ে গবেষণা, দেশব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণ ও মডেল পোল্ট্রি খামার গড়ে তোলা হচ্ছে। কর্মশালায় রংপুর বিভাগের শতাধিক খামারী উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরিচালক ডাঃ আব্দুল হাই সরকার বলেন, বাংলাদেশে ডিম ও মুরগির মাংসের সংকট নেই। তবে পোল্ট্রি সেক্টরে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারীরা খুব বেশি অবদান রাখতে পারছে না। অনেক খামারী টিকে থাকতেও পারছে না। এ বিষয় নিয়ে গবেষণা হওয়া দরকার। সেই সাথে পোল্ট্রির অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হলে বিজ্ঞান সম্মতভাবে খামারের কার্যক্রম পরিচালনার চর্চা করতে হবে। এতে করে ডিম ও মুরগির মাংস নিরাপদ হবে এবং খামারীরা লাভবান হবেন।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের আবহাওয়ার ব্যাপক তারতম্য ঘটে। গরমের সময় তীব্র গরম ও শীতের সময় তীব্র শীত অনুভূত হয়। এছাড়া চলমান আবহাওয়া দিনে গরম, রাতে ঠান্ডা আবার হঠাৎ করে বৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার কারণে মুরগির অসুখ বাড়ছে। তাই খামারীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com