• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪
শিরোনামঃ
সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি সাপাহারে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জনের কারাদণ্ড নন্দীগ্রামে কৃষকের ঘামে ভেজা টাকায় ভাগ বসাতে মরিয়া সার সিন্ডিকেট সাংবাদিকের ছবি পোস্ট করে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা নাজিরপুরে শিক্ষক-কর্মচারীদের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-জমি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় মানববন্ধন নন্দীগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে নবাগত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামের যোগদান সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রদল নেতা ও মহিলা দল নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন যশোরে সাংবাদিক পরিচয়ে ঘের দখলের নির্দেশ, অস্ত্রসহ আটক ৩

পোল্ট্রিখাতের উন্নয়নে রংপুরে বিভাগীয় কারিগরি কর্মশালা

Reporter Name / ১১৬ Time View
শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

রংপুর অফিসঃ

পোল্ট্রিখাতকে নিরাপদ ও লাভজনক করতে রংপুরে বিভাগীয় কারিগরি কর্মশালা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ওয়াপসা’র উদ্যোগে পর্যটন মোটেলে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরিচালক ডাঃ আব্দুল হাই সরকার। ওয়াপসা’র প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সাজেদুল করিম সরকার, পোল্টি উদ্যোক্তা সাহেদা পারভীন তৃষা। কর্মশালায় বক্তারা জানান, ওয়াপসা’র উদ্যোগে পোল্ট্রি শিল্প নিয়ে গবেষণা, দেশব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণ ও মডেল পোল্ট্রি খামার গড়ে তোলা হচ্ছে। কর্মশালায় রংপুর বিভাগের শতাধিক খামারী উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরিচালক ডাঃ আব্দুল হাই সরকার বলেন, বাংলাদেশে ডিম ও মুরগির মাংসের সংকট নেই। তবে পোল্ট্রি সেক্টরে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারীরা খুব বেশি অবদান রাখতে পারছে না। অনেক খামারী টিকে থাকতেও পারছে না। এ বিষয় নিয়ে গবেষণা হওয়া দরকার। সেই সাথে পোল্ট্রির অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হলে বিজ্ঞান সম্মতভাবে খামারের কার্যক্রম পরিচালনার চর্চা করতে হবে। এতে করে ডিম ও মুরগির মাংস নিরাপদ হবে এবং খামারীরা লাভবান হবেন।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের আবহাওয়ার ব্যাপক তারতম্য ঘটে। গরমের সময় তীব্র গরম ও শীতের সময় তীব্র শীত অনুভূত হয়। এছাড়া চলমান আবহাওয়া দিনে গরম, রাতে ঠান্ডা আবার হঠাৎ করে বৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার কারণে মুরগির অসুখ বাড়ছে। তাই খামারীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com