মো: মেহেদী হাসান অন্তর, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নওগাঁর বদলগাছি উপজেলায় অবৈধভাবে পুকুর খনন করে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কোলা ইউনিয়নের ভান্ডারপুর গ্রামে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এলাকার সুবল ও সুনীলের পুকুর কাটার কাজের দায়িত্ব নেন একই এলাকার মিটু হোসেন, যিনি “ফেন্সি মিঠু” নামে পরিচিত। তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে দিন-রাত পুকুর খনন করে সেই মাটি ইটভাটায় বিক্রি করছেন।
এতে পুকুরপাড়ে অবস্থিত একটি কালী মন্দির মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় পুকুরের পাড় ধসে পড়ে মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না।
এদিকে অবৈধভাবে মাটি পরিবহনের কারণে এলাকার সড়কের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ট্রাক চলাচলের সময় রাস্তায় মাটি পড়ে ধুলাবালির সৃষ্টি হচ্ছে, আর বৃষ্টি হলে তা কাদায় পরিণত হয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কিছু লোক ঘটনাস্থলে এসে ফেন্সি মিঠুর সঙ্গে কথা বলে চলে গেলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। একইভাবে কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাটি পরিদর্শন করলেও পুকুর খনন কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, ফেন্সি মিঠু ইতোমধ্যে এলাকায় অন্তত পাঁচটি পুকুর খননের দায়িত্ব নিয়েছেন, যেখান থেকে মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বদলগাছি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনির সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
https://www.kaabait.com