নিজস্ব প্রতিবেদক (নওগাঁ) নিয়ামতপুরঃ
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ৫ নং রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের গাংগোর (পিরপুকুরিয়া) গ্রামে ভূমি দস্যু, লুন্ঠনকারী, দালাল, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম থামছেইনা। ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী বিগত অন্তরর্তী সরকারের সময় থেকে এখন পর্যন্ত পিরপুকুরিয়া গ্রামের মো: জালাল উদ্দীনের কাছে কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যু, দালাল ও চাঁদাবাজ বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবী করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় জালাল উদ্দীনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করে আসছে। জালাল উদ্দীন ও তার লোকজনের নামে কয়েকবার মিথ্যা মামলাও দিয়েছে। চাঁদাবাজরা চাঁদা না পেয়ে মামলা, হামলা করেও সুবিধা করতে না পেরে উনার নামে গত ০১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি), নিয়ামতপুর, নওগাঁ বরাবরে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, জালাল উদ্দীন তার বাড়ির সামনের রাস্তার উপর পাকা পিলার দিয়ে ইটের বাড়ি নির্মাণ করে জনগনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে জনাব মো: রেজাউল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি), নিয়ামতপুর, নওগাঁ এর নির্দেশক্রমে সরেজমিন তদন্তে এসে উক্ত অফিসের সার্ভেয়ার জনাব বিকাশ কুমার কবিরাজ দেখেন জালাল উদ্দীন ৩৪-৩৫ বছর ধরে তার নিজ জমিতে বাড়ি করে বসবাস করে আসছেন। তিনি আরও দেখেন, জালাল উদ্দীনের বাড়ির প্রচীরের সাথে থাকা টিনের চালার নিচে বাঁশের কঞ্চির বেড়াতে মাটি লাগানো দেয়াল। দীর্ঘদিনের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্থ। তিনি তার বাড়ি সংস্কার করছেন। সাধারণ কঞ্চির বেড়ার সাথেই কোন রকম ঢালাই ছাড়াই সহজভাবে ইটের দেয়াল তৈরী করছেন।
বিকাশ কুমার কবিরাজ নকশা নিয়ে ফিতা দিয়ে মেপে দেখেন অভিযোগকারীদের একজন ভূমিদস্যু মাহাতাব জালাল উদ্দীনের জমি ২৫-৩২ ফিট জবরদখল করে বাড়ি করে আছেন। এ অভিযোগ বিষয়ে সার্ভেয়ার বিকাশ কুমার কবিরাজ কাজ বন্ধ রেখে কাগজপত্র যাঁচায়ের জন্য জালাল উদ্দীনকে অফিসে যেতে বলেন। অভিযোগকারীরা যে জায়গাটা রাস্তা বলে উল্লেখ করেছে তা মূলত রাস্তা নয়, পুকুর পাড়।
চাঁদাবাজদের পক্ষে অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজ জহিরুল ইসলাম। জহিরুলের সাথে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজরা হলো একই এলাকার আব্দুস সামাদ, মাহাতাব আলী, সাহিনুল ইসলাম (সায়েম) সাইদুল ওরফে তহিদুল, মনিরুল মুনি ডাক্তার, লোকমান হোসেন, বীরেন সরকার, মাসুদ, সালেক, এনামুল প্রমুখ।
https://www.kaabait.com