March 3, 2026, 9:28 am

শিরোনাম :
পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর! রাসিকের প্রশাসক পদে আলোচনায় সাবেক মেয়র বুলবুল

রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর!

সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট, রাজশাহী:

২০০৮ সাল থেকে বর্তমান—সময়টা দীর্ঘ ১৭ বছরের। এই দীর্ঘ বন্ধুর পথে যিনি বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি তার আদর্শ থেকে, তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বাঘা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. নুরুজ্জামান খান মানিক। ফ্যাসিস্ট সরকারের দমন-পীড়ন, জেল-জুলুম আর হুলিয়ার শিকার হয়েও যিনি রাজপথ কাঁপানো মিছিলে অগ্রভাগে থেকেছেন, আজ আবারও তাকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখছে বাঘা উপজেলার তৃণমূল জাতীয়তাবাদী শক্তি।

বিগত ১৭ বছরে এই লড়াকু নেতার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য ঝড়। ১৭টি বছর নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শান্তিতে বসতে পারেননি তিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বারবার কারাগারে গিয়েছেন, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং শারীরিকভাবেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে তার আপসহীন ভূমিকা তাকে বাঘার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক বিশেষ আসনে বসিয়েছে।

বাঘা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন, বর্তমান সংকটময় সময়ে দলের জন্য এমন একজন নেতৃত্ব প্রয়োজন যিনি রাজপথের লড়াই চেনেন এবং নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। নুরুজ্জামান খান মানিক কেবল একজন নেতাই নন, তিনি তৃণমূলের কর্মীদের শেষ ভরসার স্থল।

সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য মতে, “যিনি নিভৃতে দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং শত অত্যাচারেও মাঠ ছাড়েননি, তাকেই আমরা আবারও বাঘা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।”

দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে লড়াকু ভূমিকা পালন। ফ্যাসিস্ট সরকারের হামলা-মামলা ও কারাবরণ করেও আদর্শে অবিচল থাকা। দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের আর্থিক ও মানসিক শক্তি জোগান দেওয়া। পূর্বের সভাপতি ও জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে সফল দায়িত্ব পালন।

বাঘার রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা এবং আগামী দিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করতে নুরুজ্জামান খান মানিকের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *