• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০
শিরোনামঃ
সাপাহারে গণঅভ্যুত্থান-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৮০৫ লিটার চোলাই মদের উপকরণ জব্দ ও ধ্বংস, মামলা ৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নতুন ইউএনও পদায়ন নীলফামারী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষের অভিযোগ ‘ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে সাবেক আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টদের প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে’—দাবি একাংশের নেতা-কর্মীদের জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রাজশাহীর জোড়া সাফল্য: ক্রিকেটে বালক দল চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলে বালিকারা রানার্স-আপ বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে পৃথক দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, বাকেরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ইমাম-কাজী-পুরোহিত-পাদ্রীদের বিশেষ কর্মশালা নন্দীগ্রামে পারিবারিক দ্বন্দ-কলহের জেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে গৃহবধূর মৃত্যু নন্দীগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দই-মিষ্টির দোকানে ২০হাজার টাকা জরিমানা

আদমদীঘিতে রোগীদের খাবার পানির একমাত্র টিউবওয়েল অকেজো, জানেন না দায়িত্বরত আরএমও

Reporter Name / ৫৩ Time View
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি রোগী ও স্বজনদের এক মাত্র বিশুদ্ধ পানি খাওয়ার টিউবওয়েলটি এক সপ্তাহ ধরে অকেজো। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। বাধ্য হয়ে হাসপাতালের সরবরাহকৃত ট্যাপের পানি ব্যবহার আবার অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পার হয়ে চায়ের দোকান থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে টিউবওয়েলটি নষ্ট থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এ বিষয়ে কিছুই জানেই না।

জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রতিদিন শত শত অসুস্থ মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। মাত্র ৩ টাকার টিকিটের মাধ্যমে জরুরি ও বহি বিভাগে নারী-পুরুষসহ বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রতিদিন হাসপাতালে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী ভর্তি থাকেন, যাদের অধিকাংশই অসহায় ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্য। তবে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের এক মাত্র উৎস ছিল একটি টিউবওয়েল। সেই টিউবওয়েলটিও গত সাত দিন ধরে অকেজো হওয়ায় দেখা দিয়েছে খাবার পানি সংকট। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ভুক্তভোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্বল্প আয়ের মানুষজন অতিরিক্ত খরচ এড়াতে ওই টিউবওয়েলের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। অথচ টিউবওয়েলটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে হাসপাতালের সরবরাহকৃত পানি পান করছেন। আবার অনেকে হাসপাতালের সামনে থাকা হোটেল কিংবা ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ মহাসড়ক পার হয়ে চায়ের দোকান থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করছেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের সরবরাহকৃত পানি দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবহৃত ট্যাংক ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে আসে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে সেখানে ময়লা ও শ্যাওলা জমে থাকে, যা বিভিন্ন রোগজীবাণু ছড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। তাদের আশঙ্কা, চিকিৎসা নিতে এসে বিশুদ্ধ পানির অভাবে রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে নতুন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির মতো মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। অভিযোগ রয়েছে, টিউবওয়েলটি মেরামতের বিষয়ে হাসপাতালের নার্সদের অবগত করা হলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি। বরং

দায়িত্বশীলদের উদাসীনতার কারণেই রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

এ নিয়ে হাসপাতালের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসারকে জানালো হলে তাকে কেউ বিষয়টি অবহিতও করা হয়নি বলে সাফ জানিয়ে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com