• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮
শিরোনামঃ
নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন বরিশালে প্রবীন সাংবাদিক পুলকের মৃ’ত্যু মরদেহের পাশে মিলল ৫ চিরকুট, কী বার্তা ছিল প্রেমের টানে ধর্ম পাল্টে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ভাঙন: মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে বাহেরচর! বাকেরগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার পর ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ নির্বাচনী উত্তাপ বেলকুচিতে: ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে মাসুদ রানার মোটরসাইকেল শোডাউন ও গণসংযোগ বাকেরগঞ্জে তুলাতলি নদীর ভাঙন রোধে ১২ হাজার ৫০০ জিওব্যাগ ফেলার প্রকল্পের উদ্বোধন ভরপাশায় চেয়ারম্যান পদে তরুণ প্রার্থী রাজিব হোসেন, মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনে এগিয়ে যেতে চান বাকেরগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

আজ ১৩ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস

Reporter Name / ১৯৩ Time View
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর। নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে নন্দীগ্রামে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃত্বে ভারতে ইউপি ডেরাডং সাব ডিভিশনে ভান্ডুয়া সামরিক কেন্দ্রের ৭ নম্বর সেক্টরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। এরপর ভারত-বাংলাদেশের হিলি সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তারা পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে। এরপর তারা নন্দীগ্রাম আশার পথে কাহালুর কড়ই বামুজা গ্রামে পাক হানাদারদের সঙ্গে যুদ্ধ করে। ওই যুদ্ধে ১৮ জন পাক সেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃতে ৯ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামে প্রবেশ করে। সেখানে ৩ দফা যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের। প্রথমে ১১ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামের মন্ডল পুকুর সিএন্ডবি’র রাস্তার পাশ থেকে পাকসেনা ও তাদের দোসরদের ওপর আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই দিন রণবাঘা বড় ব্রিজের কাছে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ হয়। অপর দিকে বেলঘরিয়ায় পাক সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেই যুদ্ধে একজন পাক সেনা আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনারা রাজাকারদের সহযোগিতায় চাকলমা গ্রামের আকরাম হোসেন, বাদলাশন গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ, রুস্তমপুর গ্রামের মহিউদ্দিন, ভাটরা গ্রামের আব্দুল সোবাহান, নন্দীগ্রামের মোফাজ্জল হোসেন, হাটকড়ই গ্রামের ছমিরউদ্দিন ও তার দুই ছেলে আব্দুল রাজ্জাক ও আব্দুল রশিদকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ৭১ এর ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা থানায় আক্রমণ চালিয়ে প্রায় ২শ পাকসেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে লড়াই করে। সেই যুদ্ধে ৮০ জন রাজাকারকে আটকসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করে তারা। এ ছাড়া নন্দীগ্রামের ডাকনীতলায় পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন-মরণ যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। অবশেষে ১৯৭১ এর ১৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার ও রাজাকারদের হটিয়ে নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত করে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com