June 14, 2026, 8:31 pm

শিরোনাম :
নন্দীগ্রামে পিইপির মানবিক উদ্যোগে ৩১ হতদরিদ্র পরিবার পেল সহায়তা টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় বিল ইজারার দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন সান্তাহারে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রাকার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু নন্দীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি মোশারফ বাকেরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ বাকেরগঞ্জে গাঁজা গাছসহ একজন গ্রেপ্তার

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম, টেকনাফ (কক্সবাজার): কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও মাদক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে জাদিমুড়া বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন লবণ মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লে. মোক্তাদীন ছিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ জানতে পারে যে, সাবরাংয়ের জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্ত ব্যবহার করে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিবহনের উদ্দেশ্যে মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা ও গ্রেনেড মজুত করে রেখেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন (শনিবার) রাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া এলাকায় মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-1 হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিমি তাজা গোলা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সেখান থেকে ২ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, উদ্ধারকৃত এসব ধ্বংসাত্মক গোলাবারুদ অসৎ ব্যক্তিদের হাতে পড়লে বা অন্য কোনোভাবে বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এই অভিযানের ফলে সীমান্ত ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *