April 14, 2026, 2:47 pm

শিরোনাম :
নাজিরপুরে শিক্ষার্থী ৫ জন বিপরীতে শিক্ষক ৪  স্কুল ঘরের পাশে গরুঘর,ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম। বেরোবিতে চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চারঘাটে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রংপুরের উন্নয়ন ও সংকট উত্তোরণে কাজ করার অঙ্গীকার নবাগত জেলা প্রশাসকের রংপুর নগরীতে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে রসিক প্রশাসকের সাথে ব্যবসায়ীদের সভা রংপুরে পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলায় আসামী পলাশের মৃত্যুদন্ড পোরশায় পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগে লক্ষাধীক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ আদমদীঘিতে মাটি খেকোদের কাছে জিম্মি এলাকাবাসী; নিরব ভূমিকায় প্রশাসন সাপাহারে আল-হেলাল ইসলামী একাডেমীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল উনচিপ্রাং–রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া সিএনজি চালক সমবায় সমিতির নির্বাচন ৮ মে

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ পরিবারের সদস্য ও সহযোদ্ধারা

রংপুর অফিসঃ
জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পরিবারের সদস্য ও সহযোদ্ধারা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বহুল প্রত্যাশিত এ রায় প্রকাশের পর তারা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে রায় পুনঃবিবেচনাসহ মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবী জানান।
রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে আবু সাঈদের বাবার মকবুল হোসেন বলেন, এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। আদালত কনস্টেবলের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। কিন্তু গুলি করার জন্য উপর লেভেলের অফিসাররা নিদের্শনা দিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ভালো করে তদন্ত করতে হবে। আমার ছেলেদের সাথে পরামর্শ করে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলের সঠিক বিচার হইনি। আরও মৃত্যুদন্ড দিলো না কেন, এটি আমার দাবী। এজন্য আমার অন্তর ঠান্ডা হয়নি, মন অসন্তুষ্ট।
বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে গুরুতর অপরাধ করা আসামীদের লঘু শাস্তি দেয়া হয়েছে। যাদের লঘুদন্ড দেয়া হয়েছে, নিশ্চই তাদের বিষয়ে আদালত চিন্তা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। রায়ে যাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে, তাদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবী জানাচ্ছি। এছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া অভ্যূত্থানের সময় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়ে, তার শাস্তি কম দেয়া হয়েছে।
আবু সাঈদের সহযোদ্ধা আশিকুর রহমান আশিক বলেন, আমাদের দুঃখের সাথে জানাতে হয় যে, এটি ছিল স্পষ্ট পুলিশী হত্যাকান্ড। পুলিশের এসি ইমরান শিক্ষার্থীদের উপর ঢিল ছুড়েছিল, হামলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তাকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আশা করছি আদালত এ বিষয়টি বিবেচনায় আনবে।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, এ রায়ে ১১ জুলাই, ১২ জুলাই ও ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের উপর যেসব আসামীরা হামলা চালিয়েছে তাদের কম সাজা দেয়া হয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী রায় ঘোষণা হয়নি। বিজ্ঞ আদালত এটি আমলে নেবে ও রায় পুনঃবিবেচনা করবে প্রত্যাশা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *