• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬
শিরোনামঃ
রাজশাহীর নতুন পুলিশ সুপারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর সান্তাহারে সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টুর আর্থিক সহায়তা প্রদান আদমদীঘিতে এমপি কর্তৃক অসহায় মানুষের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান নওগাঁ হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: হাসপাতালে স্যালাইন মজুতের পরও রোগীকে না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ নন্দীগ্রামে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি’র দায়ে মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও মাছ জব্দ নন্দীগ্রাম কুন্দারহাট হাইওয়ে থানায় নয়া ওসি রইছ উদ্দিনের যোগদান প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জাতীয় মঞ্চে নন্দীগ্রামের সুমি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিলেন পুরস্কার নীলফামারী চেম্বারের নেতৃত্বে মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার রাজশাহী অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের নতুন নেতৃত্ব,সভাপতি তোফায়েল সম্পাদক রনি নাজিরপুরে বলেশ্বর নদের নাব্যতা সংকট: অবৈধ জাল ও গাছের ঝাপে বিপন্ন পরিবেশ, স্থানীয়দের মাঝে মতভেদ

আজ আদমদীঘি উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস

Reporter Name / ১৭২ Time View
বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
আজ (১২ ডিসেম্বর) বগুড়ার আদমদীঘি থানা পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুহুর্মুহু গেরিলা আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ায় ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আদমদীঘি থানা সদরকে পাক হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন। আদমদীঘি উপজেলার সে সময়ে সান্তাহার বৃহৎ রেলওয়ে জংশন ছিল পাক হানাদার বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি। এই ঘাঁটি থেকে পাক হানাদাররা গোটা উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতো। আদমদীঘি থানা এলাকায় পাক হানাদার বাহিনী এবং এ দেশীয় দোসর রাজাকারদের পাশাপাশি বিহারীদের অত্যাচার ছিল অবর্ণনীয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিলের শুরু থেকেই বিভিন্ন গ্রামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, হত্যাসহ ধর্ষণের ঘটনাও ঘটিয়েছিল বিহারী ও পাক হানাদাররা।
সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে ৯ মাস কোনো বাঙালিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাঙালি দেখা মাত্রই চালানো হতো নির্মম নির্যাতন। প্রত্যেক বিহারীই ছিল অস্ত্রধারী। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার এল কে আবুল হোসেন, ফজলুল হক, আজিজার রহমান নান্টু, মেজর হাকিম, মুনছুর রহমান সহ অন্য যুদ্ধকালীন কমান্ডারদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদারদের সঙ্গে আদমদীঘির কুসুম্বী, রেল স্টেশন, নশরতপুর, মথুরাপুরের গাদোঘাট রেলওয়ে ব্রিজ, সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহর রানীনগনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এতে বেশ কয়েক জন পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হয়। শুরু থেকে রক্তদহ বিল, বোদলা, পালসা, বিহিগ্রাম, বিষ্ণুপুর, গণিপুর, কদমা, বেজার, থল বড়বরিয়া গ্রাম ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদমুক্ত এলাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের চারদিকের আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী পর্যুদস্ত হয়ে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে পালিয়ে একত্রিত হয়। অবশেষে ওই দিন দুপুরে আদমদীঘি থানা সদরে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে থানা সদরকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
এক পর্যায়ে সান্তাহার রেল জংশন মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কড়া পাহারা বসিয়ে কারফিউ জারি করে সাধারনের চলাচল নিয়ন্ত্রন করে। এ উপজেলায় ২৩ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এ দিনটিকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাব সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com