June 16, 2026, 11:11 am

শিরোনাম :
এঞ্জেল কেয়ার একাডেমির অধ্যক্ষ নুরুল আমিনকে অপহরণের চেষ্টা, এলাকায় চরম উত্তেজনা উখিয়ায় ইয়াবা সম্রাটের আস্তানায় বিজিবির অভিযান: ৫০ হাজার ইয়াবা, বিদেশি পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান প্রচারের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ টিঅ্যান্ডটি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামে লাইসেন্স বিহীন দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্টের ২৫হাজার টাকা জরিমানা হৃদয়ের টানে, স্মৃতির মোহনায়—আমরা আবার এক সাথে -ব্যাচ ৯৯। সান্তাহারে শিশু রাকার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন নওগাঁয় বেলা’র একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব ও পরিবেশগত সমস্যা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতা মুলক প্রচারণা পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের

আড়াই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে একটি সড়কের নির্মাণ কাজ; চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের প্রসাদখালী গ্রামের নিকট প্রায় পাঁচ’শ মিটার একটি সড়কের নির্মাণ কাজ প্রায় আড়াই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় প্রসাদখালী গ্রামসহ আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষজনকে দীর্ঘ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আদমদীঘি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ সড়কটির তদারকির দায়িত্বে রয়েছে।
আদমদীঘি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সড়কটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। সড়কটি নির্মানের জন্য ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। মোল্লা টেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পান। প্রসাদ খালি গ্রামের অরুণ কুমার, গোপাল চন্দ্র, জুয়েল হোসেনসহ অনেকেই অভিযোগ করেন, নির্মাণের শুরু থেকেই ঠিকাদার সড়কটির নির্মাণ কাজে গড়িমসি শুরু করেন। সড়কটির নির্মান কাজ শুরু হলে ঠিকাদার দীর্ঘ দিন সড়ক খনন করে ফেলে রাখেন। বর্ষায় সড়কের গর্ত করা অংশে পানি জমে থাকায় জনসাধারনকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। পরে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু হলে ঠিকাদার অন্য জায়গা থেকে নিম্নমানের বালি মিশ্রিত খোয়া এনে সড়কে ফেলা শুরু করলে স্থানীয় জনগন সেই কাজে বাধা দেয় এবং বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেন। ঘটনার সত্যতা মেলায় উপজেলা প্রকৌশলী ওই খোয়া ফেলার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে পুনরায় খোয়া বালি ফেলার পর থেকে বন্ধ রয়েছে সড়কের নির্মাণ কাজ। প্রসাদখালী গ্রামের আরেক বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার বলেন, মাত্র অর্ধ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করতে এত সময় লাগার কোন কারন নাই কিন্তু ঠিকাদার ইচ্ছা করেই কাজ ফেলে রেখে জনগনকে দুর্ভোগে ফেলেছেন। বিষয়টি গ্রামবাসির পক্ষ থেকে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানোর পরও সড়কের কাজ শেষ হচ্ছে না। বর্ষা মৌসুম শুরু হলে পানি জমে সড়কের খোয়া উঠে যাবে ফলে জনগনকে পুনরায় দুর্ভোগ পোহাতে হবে । তিনি দ্রুত সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি জানান। মোল্লা টেডার্স ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন টি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওই গ্রামের মানুষজনের দীর্ঘ দিন ধরে চরম দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে অচিরেই সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *