• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৩
শিরোনামঃ
মডেল পৌরসভা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়: বেলকুচি পৌর মেয়র পদে আলোচনার শীর্ষে বিএনপি নেতা হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল নন্দীগ্রামে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রাইমারী স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলনে সংহতি: ‘অপহরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত টেকনাফ-উখিয়া চাই নন্দীগ্রাম থালতা মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন বেলায়েত হোসেন আদর পোরশায় জমি সংক্রান্ত সালিশে মারামারি, ইউপি সদস্যসহ আসামিদের হামলায় আহত ৫ সাপাহারে আধুনিক হিমাগার নির্মাণ ও আম বাজার স্থানান্তর বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অ্যাব এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনের উপস্থিতিতে মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সান্তাহারে আশা আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ ; ফ্যাক্টারী সিলগালা নীলফামারী আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা ধামইরহাটে সংঘাত নয়-শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মডেল পৌরসভা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়: বেলকুচি পৌর মেয়র পদে আলোচনার শীর্ষে বিএনপি নেতা হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল

মনজুরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / ৪৪ Time View
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

মনজুরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যমুনা নদীর তীরবর্তী ঐতিহ্যবাহী বেলকুচি পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পরিকল্পিত মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করার জোরালো প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিএনপির প্রবীণ ও পরীক্ষিত নেতা হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সমর্থন এবং পৌরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের নাগরিক বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে একটি জনকল্যাণমুখী ও স্মার্ট পৌরসভা উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

​২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বেলকুচি পৌরসভাটি বর্তমান সময়ে একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। প্রায় ১৯.৩০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌর এলাকায় রয়েছে ৯টি ওয়ার্ড। নদীমাতৃক এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার পরিধি বাড়াতে আবারও পরিবর্তন ও সুশাসনের ডাক দিয়েছেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
​দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও রাজপথের পথচলাঃ
​ প্রায় চার দশক হল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। তার রাজনৈতিক জীবন ত্যাগ, পরীক্ষা এবং প্রতিকূলতার এক দীর্ঘ ইতিহাস। উল্লেখযোগ্য হলো:
​১৯৯০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের শুভসূচনা।
​১৯৯১ সালে বেলকুচি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ।
​১৯৯২ সালে বেলকুচি থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
​১৯৯৪ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা এবং তার গাড়িতে অগ্নিসংযোগের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার মুখোমুখি হন।
​১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘রজনীগন্ধা সিনেমা হলে’ হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, যার ফলে তিনি বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
​২০০২-২০০৪: বেলকুচি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
​২০০২ সালে ১নং বেলকুচি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৩৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন; ওই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।
​২০০৪ সালে বেলকুচি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ।
​২০১১ সালে বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে থানা বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন এবং মাত্র ১৫২ ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত দেখানো হয় বলে ফলাফলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেন।
​নাগরিক সেবায় যুগোপযোগী ও গঠনমূলক পরিকল্পনাঃ
​নির্বাচিত হলে বেলকুচি পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ জনপদে রূপ দিতে সুনির্দিষ্ট কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল। তার প্রস্তাবিত রূপরেখার প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
​নিরাপদ পৌরশহর গঠনঃ পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং ও মাদক ব্যবসা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।
​আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাঃ শহরের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ।
​নাগরিক বিনোদনঃ নাগরিকদের মানসিক প্রশান্তি ও বিনোদনের জন্য দৃষ্টিনন্দন পৌর পার্ক স্থাপন।
​ধর্মীয় অবকাঠামো উন্নয়নঃ একসঙ্গে বড় জমায়েতে ঈদের নামাজ আদায়ের সুবিধার জন্য পৌর ঈদগাহ মাঠ নির্মাণ।
​ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারঃ হকারদের পুনর্বাসন এবং পৌর বাজারকে আধুনিক ও শৃঙ্খলিতভাবে সাজাতে পৌর হকার্স মার্কেট স্থাপন।
​যোগাযোগ ও জলাবদ্ধতা নিরসনঃভাঙা রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা দূরীকরণে আধুনিক ও প্রশস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
​শিক্ষাখাতঃস্কুল,কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া।
​ভবিষ্যত ভাবনাঃ
রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ধাপে নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেও যিনি জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অবিচল ছিলেন, সেই হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পেলে বেলকুচি পৌরসভা একটি রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে—এমনটাই এখন এলাকার সুধীসমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com