June 16, 2026, 11:36 am

শিরোনাম :
এঞ্জেল কেয়ার একাডেমির অধ্যক্ষ নুরুল আমিনকে অপহরণের চেষ্টা, এলাকায় চরম উত্তেজনা উখিয়ায় ইয়াবা সম্রাটের আস্তানায় বিজিবির অভিযান: ৫০ হাজার ইয়াবা, বিদেশি পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান প্রচারের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ টিঅ্যান্ডটি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামে লাইসেন্স বিহীন দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্টের ২৫হাজার টাকা জরিমানা হৃদয়ের টানে, স্মৃতির মোহনায়—আমরা আবার এক সাথে -ব্যাচ ৯৯। সান্তাহারে শিশু রাকার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন নওগাঁয় বেলা’র একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব ও পরিবেশগত সমস্যা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতা মুলক প্রচারণা পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের

প্রচলিত প্রতিপাদ্য- “অসাবধানতাই অগ্নিকান্ডের প্রধান কারণ” বলা হলেও ভিন্ন কারণের বিচিত্রিতা কম নয়

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ                                     নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার গাংগোর (পিরপুকুরিয়া) গ্রামে ফসলের মাঠে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার জুমা’র নামাজ চলাকালীন আনুমানি দুপুর ১:৩০ মিনিটের সময় পিরপুকুরিয়া – উষ্টিপাড়া গ্রামের মধ্যবর্তী কান্দরে (ফসলের মাঠ) পার্শ্ববর্তী হাঁড়িপাড়া গ্রামের শ্রী হারুন, পিতা- গোবিন্দ  (মুচি) নামের এক ব্যক্তি বিড়ি/সিগারেট জালিয়ে ধুমপান শেষে কেটে নেয়া গমক্ষেতের নাড়ায় অগ্নিসংযোগ করে চলে যায়। শুষ্ক মোসুম হওয়ায় ও বাতাসের কারণে আগুন নাড়া ক্ষেত পেরিয়ে মূহূর্তের মধ্যে পাশে থাকা জিয়াউল হক জিয়ার গম ক্ষেতে পৌঁছে যায়। একই মাঠের গভীর নলকূপ থেকে ধানের জমিতে সেচ দেয়ার ফাঁকে আগুন দেখে পিরপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাজেমান আলী সাজু জিয়াকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান ও দৌড়ে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় জিয়া জুমার নামাজরত এবং অগ্নি সংযোগরক্ষাকারীও পিছনে ফিরে দেখে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সাজু ও অগ্নি সংযোগকারী বিড়িখোর ফারুক বিদ্যমান গম ক্ষেতের আইল বরাবর কেটে নেয়া গম ক্ষেতের নাড়া উপড়ে ফেলে ফাঁকা করে আগুনের গতিরোধ করতে সক্ষম হলেও গম ক্ষেতের এক অংশে অল্প আগুন লেগে গিয়েছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে বিড়িখোর ফারুকের হাতে কিছটা আগুনের আঁচ লাগে। গম ক্ষেতের মালিক জিয়া ও তার ভাই মতিন নামাজ শেষ হওয়া মাত্র ফসল বিনষ্টের শংকা ও ভয় এক সাথে করে আগুন নেভানোর জন্য বালতি হাতে প্রায় ৫০০ মিটার দুরে জমিতে দৌড়ে গিয়ে দেখে তাদের রক্ত পানি করে ঘাম ঝরানো স্বপ্ন বেঁচে গেছে।

এ ব্যাপারে জিয়া বলেন, “কিছুদিন ধরে দালাল,চাঁদাবাজদের অত্যাচার ও হামলা মামলায় জীবন অতিষ্ঠ। এদিকে কষ্টের ফসলের উপর আগুন, জীবন নিয়ে কত যন্ত্রণা! সমস্ত গম গাছ কয়েকদিন আগের ঝড় বৃষ্টিতে মাটিতে নুয়ে পড়ে শুয়ে আছে। আগুন কোন রকম একটু গম ক্ষেতে লাগলে সমস্ত ক্ষেতের গম পুড়ে ছায় হয়ে যেত। এটা রক্ষা করার কোন উপায় ছিলনা। একমাত্র আল্লাহ পাক দয়া করে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচিয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া তুলনামূলক কিছুটা ঠান্ডা ও কয়েকদিন আগের বৃষ্টির কারণে গমের নাড়া কিছুটা ভিজে থাকায় আগুন ততটা দ্রুত ছড়াতে পারেনি পুরাপুরি শুষ্ক থাকলে যতটা ছড়াতো।”

কয়েকজন কৃষক পরস্পর পরস্পরের সংবাদের ভিত্তিতে পরিস্থিতি দেখতে দৌড়ে মাঠে উপস্থিত হন। তারা বলেন- হেয়ালি বা খেয়ালিপনার কারণে এত বড় ঘটনা। আল্লাহর রহমতে ফসল রক্ষা পেয়েছে। সতর্কভাবে আগুন ব্যবহার ও ফসলসহ জানমাল রক্ষায় সকলেরই সচেতন থাকা জরুরী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *