• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫
শিরোনামঃ
মডেল পৌরসভা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়: বেলকুচি পৌর মেয়র পদে আলোচনার শীর্ষে বিএনপি নেতা হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল নন্দীগ্রামে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রাইমারী স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলনে সংহতি: ‘অপহরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত টেকনাফ-উখিয়া চাই নন্দীগ্রাম থালতা মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন বেলায়েত হোসেন আদর পোরশায় জমি সংক্রান্ত সালিশে মারামারি, ইউপি সদস্যসহ আসামিদের হামলায় আহত ৫ সাপাহারে আধুনিক হিমাগার নির্মাণ ও আম বাজার স্থানান্তর বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অ্যাব এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনের উপস্থিতিতে মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সান্তাহারে আশা আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ ; ফ্যাক্টারী সিলগালা নীলফামারী আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা ধামইরহাটে সংঘাত নয়-শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর সদর থানার ওসির হাত ধরে মাদক মামলা হচ্ছে নন-এফআইআর

Reporter Name / ১১৭ Time View
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার- রিফাত আহমেদঃ

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা যেন এখন মাদক কারবারিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। মাদক ও অপরাধ দমনের নামে খোদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠেছে রমরমা ‘আসামি বাণিজ্যের’ অভিযোগ। মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে মাদকসহ আটককৃতদের মাদক মামলা না দিয়ে লঘু ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানোর চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১৩ মার্চ সদর থানা পুলিশ মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে অন্তত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাদের মাদক আইনে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে জিএমপি অধ্যাদেশের ৭৮ ও ১০২ ধারায় (জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত করা) নন-এফআইআর মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
​প্রসিকিউশন নং-৫৯/২০২৬, ৬০/২০২৬ এবং ৫৮/২০২৬ পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসআই মোশারফ হোসেন ও এসআই মইনুল ইসলাম বাদী হয়ে এসব মামলা করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা রাস্তায় ‘হৈ-হুল্লোড়’ করছিল এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ‘সন্তোষজনক জবাব’ দিতে পারেনি। অথচ স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এদের অধিকাংশকেই মাদকসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছিল। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওসির প্রত্যক্ষ নির্দেশে মাদকের বিষয়টি গোপন করে এই লঘু ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ​মাদকের মতো ভয়াবহ অপরাধকে আড়াল করে এভাবে লঘু ধারায় মামলা দেওয়া এবং আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভাবমূর্তি চরম সংকটে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওসির এই ‘পকেট ভরো’ নীতির কারণে এলাকায় মাদক কারবারিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মোটা অংকের টাকা দিতে পারলেই মাদক কারবারিরা থানা থেকে ছাড়া পাচ্ছে অথবা লঘু মামলার সুযোগ নিয়ে পরদিনই জামিনে বেরিয়ে আসছে। ​এই বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা থাকলেও সদর থানার ওসির এই কর্মকাণ্ড উল্টো বার্তা দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

​এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। গত তিন দিন মাদক নির্মূল অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করলেও, মাদক কারবারিদের কেন লঘু ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হলো, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com