March 3, 2026, 1:18 pm

শিরোনাম :
বিটিসিএলে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে লাগবে ঊর্ধ্বতনদের বিশেষ অনুমতি পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর!

রংপুরের তিনটি আসনের ভোট পূণরায় গণণার দাবি

রংপুর অফিসঃ

রংপুরের তিনটি আসনের ভোট আবার গণনার দাবিতে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।

সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন রংপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী শামসুজ্জামান শামু, রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ও রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দুই দিন আগেও বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা পরিবর্তন করে জামায়াত-শিবিরের লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রে মাদ্রাসা শিক্ষকসহ জামায়াত প্রার্থীদের পছন্দের ব্যক্তিদের ভোট কেন্দ্রে নিয়োগ দেওয়া হয়। রংপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এনামুল আহসান ও পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন জামায়াত প্রার্থীদের জয়ী করতে নানান কৌশলের আশ্রয় নেন। তারপরও বিএনপির ৩ প্রার্থী জয়ী হলেও ফলাফলের শিট পরিবর্তন করে জামায়াত প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে ডিসি ও এসপিকে লিখিতভাবে জানানোর পরও তারা কোনও পদক্ষেপ নেননি। বিএনপির তিন প্রার্থী ভোট আবার গণনার দাবি জানান। না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

পরে তিন বিএনপি প্রার্থী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গিয়ে ভোট আবার গণনার দাবি জানান। নির্বাচনটা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে দায়ী করেন। এ সময় তুমুল হইচই ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

রংপুর-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এনামুল আহসানকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি আমার পরিবার ও ছেলে মেয়েদের কাঁদিয়েছেন- আল্লাহ আপনার পরিবারকে কাঁদাবে। ভোটের পরের দিন সকাল থেকে লিখিত অভিযোগ নিয়ে আপনার কার্যালয়ে দেখা করার জন্য দুপুর ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরও আপনি আসেননি। নির্বাচনের ফলাফল ম্যানুপুলেট করেছেন আপনি।

এ সময় জেলা প্রশাসক কোনও কথা না বলে নীরবে তার চেয়ারে বসে থাকেন।

একইভাবে রংপুর-৬ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ডিসিকে উদ্দেশ করে বলেন, জামায়াত প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য নানান পরিকল্পনা করেছেন। পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরিবর্তন করে মাদ্রাসা শিক্ষক যারা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত তাদের ভোটের দুই দিন আগে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়াই প্রমাণ করে আপনি মূলহোতা। রংপুর-৬ আসনের জনগণ জানে কীভাবে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট পরিবর্তন করে জামায়াত প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ভোট আবার গণনার দাবি জানান।

একই অভিযোগ করেন রংপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী শামসুজ্জামান শামু। তিনি বলেন, ব্যালট পেপারে প্রদত্ত ভোট জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে ২০টি করে বেশি গণনা করা হয়েছে। আর ধানের শীর্ষ মার্কার ২০টি করে কম গণনা করা হয়েছে। রংপুর-৩ আসনের সব কেন্দ্রে এসব করা হয়েছে।

তবে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ভোট গণনার আবেদন ইসির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।

তিনি দাবি করেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব তিনি পালন করেছি। কোন ইঞ্জিনিয়ারিং করার সুযোগ নেই তার।

উল্লেখ্য রংপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী মাহবুবার রহমান বেলাল এক লাখ ৭৮ হাজার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *