June 5, 2026, 1:37 am

শিরোনাম :
জ্ঞানভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে “নবজাগরণ পাঠাগার” এর আত্মপ্রকাশ নীলফামারীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবিতে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে বজ্রপাতে দুই গাভীর মৃত্যু, দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুছার রহমান চির নিদ্রায় সায়িত হলেন এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের সহধর্মিনী কোহিনুর বেগম । সাপাহারে রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত পশু চামড়ার স্তুপ দুর্গন্ধে জনজীবণ অতিষ্ঠ সাপাহার আম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান সাপাহারে জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় পোরশায় ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ইন্তেকাল নওগাঁয় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, শহরের বাইরে বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

নির্বিঘ্নে ভোটের চ্যালেঞ্জ জিএমপি কমিশনারের

মোঃ আনোয়ার হোসেনঃ

‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ, আর সেই উত্তাপের আঁচ লেগেছে শিল্পনগরী গাজীপুরেও। ভোটারদের মনে শঙ্কা আর টানটান উত্তেজনার মাঝে এবার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশরীরে মাঠে নামলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার।

‎মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জিএমপি সদর থানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় পুলিশ প্রধানের উপস্থিতি ও কড়া নির্দেশনায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা পেশিশক্তির আস্ফালন বরদাশত করা হবে না।

‎পরিদর্শনকালে কমিশনার মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং নিরাপত্তা প্রস্তুতির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেন। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি কঠোর ভাষায় নির্দেশ দেন, কোনো প্রলোভন বা চাপের মুখে নতিস্বীকার করা যাবে না। পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

‎ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন শেষে কমিশনার জানান, শুধু ভোটকেন্দ্র নয়, পুরো মেট্রোপলিটন এলাকা জুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের। কমিশনারের এই আকস্মিক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসনের ভেতরেও তৎপরতা বেড়েছে বহুগুণ। সাধারণ ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই জিএমপির মূল লক্ষ্য। কেউ যদি জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম প্রয়োগ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *