March 3, 2026, 1:10 pm

শিরোনাম :
বিটিসিএলে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে লাগবে ঊর্ধ্বতনদের বিশেষ অনুমতি পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর!

নির্বিঘ্নে ভোটের চ্যালেঞ্জ জিএমপি কমিশনারের

মোঃ আনোয়ার হোসেনঃ

‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ, আর সেই উত্তাপের আঁচ লেগেছে শিল্পনগরী গাজীপুরেও। ভোটারদের মনে শঙ্কা আর টানটান উত্তেজনার মাঝে এবার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশরীরে মাঠে নামলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার।

‎মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জিএমপি সদর থানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় পুলিশ প্রধানের উপস্থিতি ও কড়া নির্দেশনায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা পেশিশক্তির আস্ফালন বরদাশত করা হবে না।

‎পরিদর্শনকালে কমিশনার মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং নিরাপত্তা প্রস্তুতির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেন। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি কঠোর ভাষায় নির্দেশ দেন, কোনো প্রলোভন বা চাপের মুখে নতিস্বীকার করা যাবে না। পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

‎ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন শেষে কমিশনার জানান, শুধু ভোটকেন্দ্র নয়, পুরো মেট্রোপলিটন এলাকা জুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের। কমিশনারের এই আকস্মিক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসনের ভেতরেও তৎপরতা বেড়েছে বহুগুণ। সাধারণ ভোটাররা যাতে কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই জিএমপির মূল লক্ষ্য। কেউ যদি জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম প্রয়োগ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *