June 5, 2026, 10:26 am

শিরোনাম :
জ্ঞানভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে “নবজাগরণ পাঠাগার” এর আত্মপ্রকাশ নীলফামারীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবিতে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে বজ্রপাতে দুই গাভীর মৃত্যু, দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুছার রহমান চির নিদ্রায় সায়িত হলেন এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের সহধর্মিনী কোহিনুর বেগম । সাপাহারে রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত পশু চামড়ার স্তুপ দুর্গন্ধে জনজীবণ অতিষ্ঠ সাপাহার আম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান সাপাহারে জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় পোরশায় ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ইন্তেকাল নওগাঁয় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, শহরের বাইরে বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

​নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

​বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডে (বিটিসিএল) বড় ধরনের বদলি আদেশের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি অংশের বিরুদ্ধে আদেশ বাতিলের অনৈতিক তদবিরের অভিযোগ উঠেছে। বদলি হওয়া কর্মচারীদের কয়েকজন অসৎ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বর্তমান কর্মস্থল থেকে না যাওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

​গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয় থেকে ইস্যু করা পৃথক তিনটি অফিস আদেশে বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে বিভিন্ন অঞ্চলে বদলি করা হয়। আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মস্থল হতে বিমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তারা তাৎক্ষণিক বিমুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন।

​বিটিসিএল সূত্রে জানা যায়, ​মোঃ মোরশেদ আলম মুন্সিকে গুলশান (পশ্চিম) থেকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট টেলিফোন এক্সচেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। ​মোঃ তৌহিদুল ইসলামকে ঢাকার ইমারত রক্ষণাবেক্ষণ থেকে চট্টগ্রামের ইমারত রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ​মোঃ খায়রুল ইসলাম, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এবং মোঃ গিয়াস উদ্দিনের মতো কর্মচারীদের যথাক্রমে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও সুনামগঞ্জের মতো প্রান্তিক এলাকায় বদলি করা হয়েছে। এই কর্মচারীদের একটি প্রভাবশালী অংশ গত ২১ জানুয়ারি কর্মস্থল ত্যাগ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানছেন না। উল্টো প্রধান কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এই আদেশ স্থগিত বা বাতিলের জন্য ‘তদবির বাণিজ্য’ শুরু করেছেন। বদলি ঠেকাতে পর্দার আড়ালে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে বিটিসিএল ভবনে।
​একজন সাধারণ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যখন কাউকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়, তখন নিয়মানুযায়ী তিনি আর আগের কর্মস্থলে কাজ করার বৈধতা রাখেন না। কিন্তু যদি অর্থের বিনিময়ে এই আদেশ পরিবর্তন করা হয়, তবে তা সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়বে।” বৈষম্যহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত বিটিসিএল গড়তে হলে এ ধরনের বদলি বাণিজ্যের পায়তারা কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন।

​এ বিষয়ে বিটিসিএলের এইচআর-২ এর জিএম আব্দুল মালেকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *