• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০
শিরোনামঃ
সাপাহারে গণঅভ্যুত্থান-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৮০৫ লিটার চোলাই মদের উপকরণ জব্দ ও ধ্বংস, মামলা ৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নতুন ইউএনও পদায়ন নীলফামারী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষের অভিযোগ ‘ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে সাবেক আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টদের প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে’—দাবি একাংশের নেতা-কর্মীদের জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রাজশাহীর জোড়া সাফল্য: ক্রিকেটে বালক দল চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলে বালিকারা রানার্স-আপ বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে পৃথক দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, বাকেরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ইমাম-কাজী-পুরোহিত-পাদ্রীদের বিশেষ কর্মশালা নন্দীগ্রামে পারিবারিক দ্বন্দ-কলহের জেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে গৃহবধূর মৃত্যু নন্দীগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দই-মিষ্টির দোকানে ২০হাজার টাকা জরিমানা

Reporter Name / ২২৫ Time View
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

​নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

​বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডে (বিটিসিএল) বড় ধরনের বদলি আদেশের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি অংশের বিরুদ্ধে আদেশ বাতিলের অনৈতিক তদবিরের অভিযোগ উঠেছে। বদলি হওয়া কর্মচারীদের কয়েকজন অসৎ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বর্তমান কর্মস্থল থেকে না যাওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

​গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয় থেকে ইস্যু করা পৃথক তিনটি অফিস আদেশে বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে বিভিন্ন অঞ্চলে বদলি করা হয়। আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মস্থল হতে বিমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তারা তাৎক্ষণিক বিমুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন।

​বিটিসিএল সূত্রে জানা যায়, ​মোঃ মোরশেদ আলম মুন্সিকে গুলশান (পশ্চিম) থেকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট টেলিফোন এক্সচেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। ​মোঃ তৌহিদুল ইসলামকে ঢাকার ইমারত রক্ষণাবেক্ষণ থেকে চট্টগ্রামের ইমারত রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ​মোঃ খায়রুল ইসলাম, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এবং মোঃ গিয়াস উদ্দিনের মতো কর্মচারীদের যথাক্রমে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও সুনামগঞ্জের মতো প্রান্তিক এলাকায় বদলি করা হয়েছে। এই কর্মচারীদের একটি প্রভাবশালী অংশ গত ২১ জানুয়ারি কর্মস্থল ত্যাগ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানছেন না। উল্টো প্রধান কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এই আদেশ স্থগিত বা বাতিলের জন্য ‘তদবির বাণিজ্য’ শুরু করেছেন। বদলি ঠেকাতে পর্দার আড়ালে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে বিটিসিএল ভবনে।
​একজন সাধারণ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যখন কাউকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়, তখন নিয়মানুযায়ী তিনি আর আগের কর্মস্থলে কাজ করার বৈধতা রাখেন না। কিন্তু যদি অর্থের বিনিময়ে এই আদেশ পরিবর্তন করা হয়, তবে তা সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়বে।” বৈষম্যহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত বিটিসিএল গড়তে হলে এ ধরনের বদলি বাণিজ্যের পায়তারা কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন।

​এ বিষয়ে বিটিসিএলের এইচআর-২ এর জিএম আব্দুল মালেকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com