March 3, 2026, 7:56 pm
মাগুরা প্রতিনিধ:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মাগুরা জেলার দুটি সংসদীয় আসন মাগুরা-১ ও মাগুরা-২ এর চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস। একই সাথে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীকও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার অংশবিশেষ মাগুরা ১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান তিনি পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মতিন পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাজিরুল ইসলামের প্রতীক হাতপাখা। জাতীয় পার্টির মো. জাকির হোসেন মোল্লা লড়বেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে।
এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের কাজী রেজাউল হোসেন পেয়েছেন ডাব প্রতীক, গণঅধিকার পরিষদের মো. খলিলুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে ট্রাক প্রতীক এবং বাসদের প্রার্থী শম্পা বসু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মই প্রতীক নিয়ে।
শালিখা ও মোহাম্মদপুর উপজেলার অংশবিশেষ মাগুরা ২ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নিতাই রায় চৌধুরী পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মশিয়ার রহমানের লাঙ্গল প্রতীক। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোস্তফা কামালকে দেওয়া হয়েছে হাতপাখা প্রতীক।
মাগুরা ১ আসনে ধানের শীষ প্রতিক পেয়ে মনোয়ার হোসেন খানের দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, মাঠপর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও সমর্থন বর্তমানে তার পক্ষেই বেশি দৃশ্যমান। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন এবং মনোয়ার হোসেন খানকে এমপি হিসেবে দেখতে চান বলে তারা প্রকাশ্যে মত দিচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, তিনি নির্বাচিত হলে মাগুরা-১ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
মাগুরা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোয়ার হোসেন খানই সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার বলেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে সব প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ স্বচ্ছভাবে দেওয়া হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে।”
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।