• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২০
শিরোনামঃ
পোরশায় অপরাধ ও মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা, পুলিশ বক্সের উদ্বোধন পোরশায় পুকুরে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বালুখালী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের মাদক কারবারি জামালের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ “গোদাগাড়ীতে মাদক সিন্ডিকেটের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল রানা” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: ভূমি মন্ত্রীর মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে ২৫ কেজি নিমের বীজ দিলেন ‘তাল বেলাল’ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নীলফামারীতে জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬ উদ্বোধন মহামান্য চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বীক্রমকে পবিপ্রবির মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান এর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পোরশার নোচনাহারে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৪ আম, মণ ৫ -৬ হাজার জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু সংস্কার পবিপ্রবিতে মাদক বিরোধী সচেতনতা তৈরিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আজ আদমদীঘি উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস

Reporter Name / ১৪১ Time View
বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
আজ (১২ ডিসেম্বর) বগুড়ার আদমদীঘি থানা পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুহুর্মুহু গেরিলা আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ায় ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আদমদীঘি থানা সদরকে পাক হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন। আদমদীঘি উপজেলার সে সময়ে সান্তাহার বৃহৎ রেলওয়ে জংশন ছিল পাক হানাদার বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি। এই ঘাঁটি থেকে পাক হানাদাররা গোটা উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতো। আদমদীঘি থানা এলাকায় পাক হানাদার বাহিনী এবং এ দেশীয় দোসর রাজাকারদের পাশাপাশি বিহারীদের অত্যাচার ছিল অবর্ণনীয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিলের শুরু থেকেই বিভিন্ন গ্রামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, হত্যাসহ ধর্ষণের ঘটনাও ঘটিয়েছিল বিহারী ও পাক হানাদাররা।
সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে ৯ মাস কোনো বাঙালিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাঙালি দেখা মাত্রই চালানো হতো নির্মম নির্যাতন। প্রত্যেক বিহারীই ছিল অস্ত্রধারী। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার এল কে আবুল হোসেন, ফজলুল হক, আজিজার রহমান নান্টু, মেজর হাকিম, মুনছুর রহমান সহ অন্য যুদ্ধকালীন কমান্ডারদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদারদের সঙ্গে আদমদীঘির কুসুম্বী, রেল স্টেশন, নশরতপুর, মথুরাপুরের গাদোঘাট রেলওয়ে ব্রিজ, সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহর রানীনগনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এতে বেশ কয়েক জন পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হয়। শুরু থেকে রক্তদহ বিল, বোদলা, পালসা, বিহিগ্রাম, বিষ্ণুপুর, গণিপুর, কদমা, বেজার, থল বড়বরিয়া গ্রাম ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদমুক্ত এলাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের চারদিকের আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী পর্যুদস্ত হয়ে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে পালিয়ে একত্রিত হয়। অবশেষে ওই দিন দুপুরে আদমদীঘি থানা সদরে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে থানা সদরকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
এক পর্যায়ে সান্তাহার রেল জংশন মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কড়া পাহারা বসিয়ে কারফিউ জারি করে সাধারনের চলাচল নিয়ন্ত্রন করে। এ উপজেলায় ২৩ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এ দিনটিকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাব সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com