November 30, 2025, 3:57 am
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় বিষ্ণপুর ইউনিয়নের পারশিমুলিয়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এম এ মতীন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র তুলে দেন।
পরিদর্শন শেষে এম এ মতীন বলেন,“দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন টুকু,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন খান,সাংগঠনিক সম্পাদক শামশুল ইসলাম বাদল,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম,যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম বেলাল,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল–আমিন ফেন্সি,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য–সচিব পলাশ কুমারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এছাড়া বিষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম,
সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন শাহানা, কছিম উদ্দিন সরদার ও এমরান আলী,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক জয়বুল হোসেন,দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক,কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ,প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা,যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন,
কৃষক দলের সভাপতি হাফিজ উদ্দিন,ছাত্রদলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সিজারসহ ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কশব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাসেম সরদার,সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মাস্টার,সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন আলী,ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল,সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক;প্রসাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন খান,কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিদুজ্জামান সোহান,সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন,যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হকসহ অন্যান্য ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বলেন, নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও সহায়তা তাদের এই দুর্দিনে বড় সান্ত্বনা দিয়েছে।
উল্লেখ্য,একই গ্রামের পারশিমুলিয়া এলাকায় গত মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ও একটি গোয়ালঘর পুড়ে যায়। আগুনে চারটি গরুসহ হাঁস–মুরগি, আসবাবপত্র, শস্যদানা, পোশাক ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র ভস্মীভূত হয়। স্থানীয়দের ধারণা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ লাখ টাকারও বেশি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, অকিম উদ্দিন তাঁর গোয়ালঘরে মশা তাড়াতে ধোঁয়া দিচ্ছিলেন। অসাবধানতাবশত সেই ধোঁয়া থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন বৈদ্যুতিক তার ধরে গোয়ালঘর ছাড়িয়ে পাশের রফিকুল ইসলামের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
আগুনে গোয়ালঘরের চারটি গরু, হাঁসমুরগি, ফার্নিচার, পোশাক, শস্যদানা ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ঘটনার পর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।