March 3, 2026, 9:39 am

শিরোনাম :
পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর! রাসিকের প্রশাসক পদে আলোচনায় সাবেক মেয়র বুলবুল

মাগুরায় কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর, আটক ২

মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাই পুলিশ ২ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে

ধর্ষণের শিকার হওয়া সাবিনা খাতুন (৩৩) মোহাম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী। সাবিনা খাতুন গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।

অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা জানালে।

মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *