March 3, 2026, 12:01 pm

শিরোনাম :
বিটিসিএলে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে লাগবে ঊর্ধ্বতনদের বিশেষ অনুমতি পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর!

নন্দীগ্রাম-কাহালুবাসী বগুড়া-৪ আসনে নব-নির্বাচিত এমপি মোশারফকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান

মামুন আহমেদ, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন-কে মন্ত্রী পদে দেখতে চাওয়ার দাবিতে সরব হয়ে উঠেছেন এলাকার দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, পোস্টার ও ফেস্টুন প্রকাশ করে বিভিন্নভাবে তারা এই দাবি তুলে ধরছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এতে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনি একজন আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, তিনি মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১লাখ ৮ হাজার ১৯১ ভোট।
এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোশারফ হোসেন। সে নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ১লাখ ২৮ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা প্রতীক) পেয়েছিলেন ৮৬ হাজার ৪৮ ভোট।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেন। রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় সংস্কারসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৩ সালে তিনি সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। শুরুতে নানা রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও স্থানীয় মানুষের পাশে থাকার কারণে ধীরে ধীরে তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় নন্দীগ্রাম উপজেলা ও কাহালু উপজেলা সহ পুরো এলাকায়।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কঠিন সময়ে তিনি দলমত নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা, আইনি সহায়তা প্রদান, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে।
বিজয়ের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা তার গ্রামের বাড়ি সহ দলীয় কার্যালয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে জড়ো হয় হাজার হাজার নেতাকর্মী। সে সময় নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন তিনিও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সাক্ষাৎকালে দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন বলেন,আমি বগুড়া-৪ আসনের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থাই আমার শক্তি। আবারও আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি গর্বিত। এখন আমার লক্ষ্য—পিছিয়ে থাকা উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়া। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সুযোগ পেলে কাহালু-নন্দীগ্রামকে উন্নয়নের মডেল এলাকায় পরিণত করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, অতীতের দুঃখ-দুর্দশা ভুলে সবাইকে ঐক্য, শান্তি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে তার প্রধান অঙ্গীকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *