March 3, 2026, 2:12 pm
বাংলার গৌরব শুভেচ্ছা বার্তাঃ মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে নওগাঁ সদর উপজেলা ও নওগাঁ পৌর সভা সহ-সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নওগাঁ সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও নওগাঁ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু।
২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে প্রদত্ত এক শুভেচ্ছা বার্তায় নওগাঁ সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও নওগাঁ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তার ১৯ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল তন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি ছিল। ১৯ দফাতেই স্বনির্ভর বাংলাদেশের বিষয়টি উল্লেখ ছিল। তার আমলে জনপ্রিয় খালকাটা কর্মসূচি চালু করে ‘তলাবিহীন ঝুড়ির’ অপবাদ থেকে দেশকে শস্য ভাণ্ডারে রূপান্তরিত করে। তাইত জিয়া অল্পদিনেই জনগণের জনপ্রিয় নেতা হতে সক্ষম হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জাতির ক্রান্তিলগ্নে জনগণের সামনে নিয়ে আসেন ভিষণ ২০৩০। এরই আলোকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমন্বয়ে ও আরও সুপরিসরে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভরসা হিসেবে সমাদৃত হয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে তারই ৩১ দফা কর্মসূচি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বাঙালি জাতি অর্জন করে তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। লাখো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সীমাহীন সাহস, ত্যাগ ও বীরত্বের বিনিময়েই আজকের স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক এবং স্বাচ্ছা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তারই সন্তান তারেক রহমান রাষ্ট্রের দায়িত্ব পেলে দেশেই স্বাধীন সার্বভৌমত্ব সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা পাবে। তারই ইচ্ছার প্রতিফলন ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জাতির প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইল আমার গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও সমাজ গঠনে কাজ করতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ইভটিজিংমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও উন্নত মোগরাপাড়া ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সামাজিক সচেতনতা ও আন্দোলন জোরদার করা জরুরি। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব।