March 3, 2026, 8:27 am
সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট, রাজশাহীঃ
খেলনা নিয়ে মেতে থাকার বয়সে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে দুই বছরের শিশু আদিল। মাঝেমধ্যেই অসহ্য ব্যথায় ডুকরে কেঁদে উঠছে সে, আর সেই কান্নার শব্দ ভারী করে তুলছে চারপাশের বাতাস। রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার নওটিকা গ্রামের এই ছোট্ট শিশুটি আজ মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করছে।
অসহায়ত্বের এক চরম সীমায় আদিলের পরিবার যেন এক বিষাদের প্রতিচ্ছবি। তার বাবা মনিরুল ইসলাম মানসিকভাবে অসুস্থ এবং মা লিজা খাতুন স্বল্পবুদ্ধিসম্পন্ন। উপার্জনের কোনো দিশা নেই এই পরিবারে। মাথার ওপর বসতভিটাটুকু ছাড়া অবশিষ্ট নেই কোনো সহায়-সম্বল। আদিলের দাদী মুল্লিকা বেগমের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। বড় ছেলে মিশনকে ট্রেন দুর্ঘটনায় হারানোর পর, এখন নাতিকে হারানোর ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আদিলের একটি কিডনিতে টিউমার হয়েছে এবং তা থেকে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে তার একটি কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো। আগামী ছয় সপ্তাহ পর তার একটি জটিল অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিডনি কিছুটা সুস্থ হলে শুধু টিউমার অপসারণ করা হবে। অবস্থার উন্নতি না হলে পুরো কিডনিটিই কেটে বাদ দিতে হবে।
এই অস্ত্রোপচার এবং আনুষঙ্গিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। যে পরিবারের কাছে দুবেলা দুমুঠো অন্ন জোগাড় করাই কঠিন, তাদের পক্ষে এই বিশাল অংকের টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনার সামান্য দান হতে পারে আদিলের বাঁচার অবলম্বন। একটি নিষ্পাপ জীবন কি কেবল অর্থের অভাবে ঝরে যাবে? আমাদের সামান্য সহানুভূতি আর সদিচ্ছাই পারে আদিলকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে দিতে। আপনার দেওয়া যাকাত বা সাহায্যের সামান্য অংশও আদিলের পরিবারের কাছে এখন আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:
* বিকাশ ও নগদ: ০১৭৭৪৩৪৫১৫২
* রকেট ও হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭০৮৫০০৬৪৪
আসুন, আমরা যে যার জায়গা থেকে আদিলের পাশে দাঁড়াই। আজ আমাদের মানবিকতাই পারে এই অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে।