• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৩৩
শিরোনামঃ
অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে রাজশাহীতে জেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল! বিজিবির তৎপরতায় ৫ ঘণ্টার অভিযানে ছিনতাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার সংগ্রামকে জয় করে স্বপ্ন পূরণ: জান্নাতুল ফেরদৌসের অনুপ্রেরণার গল্প নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে বাদী কারাগারে নেওয়াশী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় নবনিযুক্ত সভাপতি ডা. ইউনুস আলীকে সংবর্ধনা ও আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় মাহফিল তিন বছরের পানির কষ্ট লাঘব, প্রধানমন্ত্রীর উপহারে হাসি ফিরল রকিব-শারমিনের পরিবারে আদমদীঘির বিনাহালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের দেখেই ক্ষেপে গেলেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সুমী আক্তার সাপাহার আদাতলা সীমান্তে ৯ জনকে পুশ-ইন চেষ্টা বিজিবির বাধা সাতক্ষীরায় রাফাত হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

মাগুরায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থেকে অসুস্থ শিশুকে নামিয়ে দিলো উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

Reporter Name / ৮৯ Time View
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরার শ্রীপুরে সাত বছর বয়সী এক অসুস্থ শিশুকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশরাফুজ্জামান লিটন এর বিরুদ্ধে। এর আগেও ডাঃ আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করেন এবং মহিলাদের সিজার করে ১০ হাজার করে টাকা নেন।
দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির নাম আফিয়া খাতুন (৭) সে মাগুরা সদর উপজেলার শেখ পাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর মেয়ে।
জানা গেছে, আফিয়া তার মামার বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চরচৌগাছি গ্রামে যায়। তার মামার ঘরের এক কোণায় কৃষিজমিতে ব্যবহারের কীটনাশক রাখা ছিল। খেলার ছলে আফিয়া কীটনাশক খেয়ে ফেলে।

এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনেরা তাকে দারিয়াপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।
তার স্বজনরা এরপর সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক আকিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষার পর চালক রোগীর স্বজনদের অসুস্থ শিশুকেসহ নেমে যেতে বলেন।

রোগীর স্বজনদের ভাষ্য কারণ জানতে চাইলে চালক জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) জরুরি কাজে অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করবেন এবং রোগীকে অন্য যানবাহনে করে যেতে বলেছেন।

এরপর তারা ইজিবাইকে করে শিশুটিকে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে যান। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন বলেন, “উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মাগুরা সদর হাসপাতাল খুব বেশি দূরে নয়। সে কারণে বিকল্পভাবে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমার সরকারি গাড়ির দুই বছর ধরে জ্বালানি বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। কিছু জরুরি প্রশাসনিক কাজে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে হয়।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ বলেন, “দারিয়াপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এম্বুলেন্স সংক্রান্ত ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। ভবিষ্যতে যেন অ্যাম্বুলেন্স সাধারণ রোগীদের সেবায় সর্বদা ব্যবহৃত হয়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির সাংবাদিকদের বলেন, “অসুস্থ শিশুটিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে কোনোভাবেই নামানো উচিত হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com