• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:২৬
শিরোনামঃ
অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে রাজশাহীতে জেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল! বিজিবির তৎপরতায় ৫ ঘণ্টার অভিযানে ছিনতাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার সংগ্রামকে জয় করে স্বপ্ন পূরণ: জান্নাতুল ফেরদৌসের অনুপ্রেরণার গল্প নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে বাদী কারাগারে নেওয়াশী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় নবনিযুক্ত সভাপতি ডা. ইউনুস আলীকে সংবর্ধনা ও আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় মাহফিল তিন বছরের পানির কষ্ট লাঘব, প্রধানমন্ত্রীর উপহারে হাসি ফিরল রকিব-শারমিনের পরিবারে আদমদীঘির বিনাহালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের দেখেই ক্ষেপে গেলেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সুমী আক্তার সাপাহার আদাতলা সীমান্তে ৯ জনকে পুশ-ইন চেষ্টা বিজিবির বাধা সাতক্ষীরায় রাফাত হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

বাঘায় পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা, মাথায় ১১ টি সেলাই!

Reporter Name / ১২২ Time View
শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।

রাজশাহীর বাঘায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মামুন হক (৩৮) নামের এক ব্যক্তির উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত মামুনকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার মাথায় ১১ টি সেলাই করা হয়েছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মামুন উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল সরকারের ছেলে।

এ হামলার ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে বাঘা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন মামুন হক। অভিযুক্তরা হলো রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের জিয়াউল হকের ছেলে জয়নাল আবেদিন(২২), মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জিয়াউল হক (৪৮) ও আশরাফুল ইসলাম (৬০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ ডিসেম্বর রাত্রি আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে জয়নাল আবেদিন গরু জবাই করার ছুরি নিয়ে মনিগ্রাম বাজারে মামুন হককে মারার জন্য খুজে। এ সময় বাজারের লোকজন তাকে থামিয়ে তার কাছে থাকা ছুরিটি কেড়ে নিয়ে মনিগ্রাম বাজারস্থ আমিনুর ডাক্তারের দোকানে
রাখে। পরের দিন ৩০ ডিসেম্বর অনুমান রাত ৮ টার দিকে গ্রাম্য শালিসসের মাধ্যমে মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুকুল হোসেন সহ এলাকার লোকজন বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। মিমাংসা শেষে বাড়িতে চলে যায় মামুন।

পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর সকাল ৯ টার দিকে গঙ্গারামপুর গ্রামস্থ আসাদুলের বাড়ির সামনে কাচা রাস্তার উপর মামুন, তার ভাগ্নে জামাই মখলেসের বাড়ি করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার সময় জয়নাল আবেদিনের হুকুমে অন্যন্য অভিযুক্তদের সহায়তায় তার হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দ্বারা হত্যার উদ্ধেশ্যে মামুনের মাথার ডান পাশে আঘাত করে গুরতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে পড়ে গেলে জিয়াউল হক তার হাতে থাকা লোহার শাবল ও আশরাফুল ইসলাম তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দ্বারা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ছিলাফোলা জখম করে।

এ সময় উপস্থিত সাক্ষি সহ এলাকাবাসীরা এগিয়ে আসলে তারা বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ – ভয়ভিতী ও হুমকি প্রদান করে পালিয়ে যায়। পরবর্তিতে স্বাক্ষীদের সহোযোগিতায় মোটরসাইকেল যোগে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য ভর্তি মামুন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাথায় ১১ ( এগারো) টি সেলাই প্রদান করে।

এ বিষয়ে মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন জানান, তাদের মধ্যে একটা ঝামেলা ছিলো সেটা নিয়ে বসে সমাধান করে দেওয়া হয় এবং আগামী তে তারা যেন আর ঝামেলায় না জোরানোর জন্য বলা হয়। কিন্তু পরের দিন লোক মাধ্যমে শুনি ওরা মামুনের হামলা করেছে।

মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা এস আই (নিঃ) আবু জামিল হাসান বলেন, ঘটনার দিনই ঘটনার স্থলে গিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হয়। আসামিরা পলাতক রয়েছে তবে তাদের গ্রেফতার চেষ্টা চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com