• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২০
শিরোনামঃ
বাঘায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নগদ ৩ লক্ষ টাকাসহ ১০টি ঘর ভস্মীভূত! বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর সেনা মোজাফফর আলী ভূঁইয়ার মৃত্যু:রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নন্দীগ্রামে চিকিৎসাসেবাকে আরও জনবান্ধব করতে ডা. লিটনের চেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি পোরশায় কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন সান্তাহারে পিরানহা মাছ চাষ করায় অভিযান; দুই মাছ চাষীকে অর্থদণ্ড প্রদান কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‌্যাগিংয়ের নির্মমতায় হাসপাতালে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী, তদন্তে প্রশাসন নওগাঁয় জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার খরচ মেটাতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ও ৬ সাংবাদিককে মারধর: দুই ওসির প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে মরহুম কোকোর জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবকদলের চারা বিতরণ

নীলফামারীতে গোড়গ্রাম ইউপি প্রশাসক আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দায়ের

Reporter Name / ৮৫ Time View
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

রাবিব রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মইনুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ডের সিদ্দিকুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের অলিয়ার রহমান, ৮নং ওয়ার্ডের মমিনুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সিদ্দিকা বেগম, চম্পা রানী ও বিলকিস বেগম।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সাবেক চেয়ারম্যান অপসারণের পর ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর মোঃ আলমগীর হোসেন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রকল্প, ভাতা কার্যক্রম ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় ধারাবাহিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। অতিদরিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচির উপকারভোগীদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির নামে জনপ্রতি ২৫ হাজার টাকা করে প্রায় তিন লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে সংশ্লিষ্টদের ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিল উত্তোলন, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের ভিডব্লিউবি কার্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে প্রতিটি কার্ডে ৫ হাজার টাকা করে আদায়, টিউবওয়েল ও কাবিখা প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাব থেকে ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে দুই দফায় প্রায় ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসকের নিজ নামে প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও ইউনিয়নে কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি।
এছাড়া প্রশাসকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে মামলা ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে ইউপি সদস্যদের নীরব থাকতে বাধ্য করা হতো। মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা আদায়, উন্নয়ন বরাদ্দের টিন বিতরণে অনিয়ম এবং গ্রাম আদালত কমিটির নিয়মিত সভা না করার মতো গুরুতর অনিয়মের কথাও অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com