• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫০
শিরোনামঃ
পোরশায় এমপি মোস্তাফিজুর রহমানকে বাজিনাপুকুর-শিমুলডাঙ্গা গ্রামবাসীর সংবর্ধনা প্রদান মাদক সেবনের সংবাদ প্রকাশের জেরে নীলফামারীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা নন্দীগ্রামে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডা. লিটনের প্রচেষ্টায় ভায়া মেডিকেল ক্যাম্প ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন পবিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ উদ্বোধন করলেন ভিসি ড. হেমায়েত জাহান রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি লালপুর থানার শফিকুল ইসলাম! আদমদীঘিতে নব-বিবাহিত স্ত্রীকে না পেয়ে আত্নহত্যা করলো যুবক সোহান নন্দীগ্রামে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি’র দায়ে মোবাইল কোর্টে সার ব্যবসায়ী’র ৫৫হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁয় ‘ব্যাড টাচ’ পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির অভিযানে যুবক গ্রেপ্তার সাপাহারে কৃষিজমিতে অবৈধ ইটভাটা স্থাপন, মোবাইল কোর্টে লাখ টাকা জরিমানা

নন্দীগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশা, অকৃতকার্য ৮৪২

মো: আব্দুর রউফ উজ্জ্বল নন্দীগ্রাম বগুড়া / ১৪৭ Time View
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা দিয়েছে হতাশাজনক চিত্র। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ হাজার ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলেও ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে উপজেলায় মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি। পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৪ জন হলেও ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয় ৮৪২ জন। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছে।
এমন ফলাফল নন্দীগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার মান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, পাঠদানের কার্যকারিতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলের মতে, শুধু পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে একটি উপজেলার পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার মান নির্ধারণ করা যায় না। তবে ফলাফলে পাস ও ফেলের এমন ব্যবধান অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফল তুলনামূলকভাবে দুর্বল এবং শিক্ষার্থীদের কোথায় ঘাটতি রয়েছেএসব বিষয় চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অভিভাবকদের অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা, বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি এবং বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত মূল্যায়নের ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
নন্দীগ্রামে এবারের এসএসসি ফলাফলের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো ৮৪২ জন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া। এই ফলাফলকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে। আগামী দিনে শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে—কেন এত শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলো এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে? এর কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়াই হতে পারে নন্দীগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com