June 4, 2026, 3:02 pm

শিরোনাম :
জ্ঞানভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে “নবজাগরণ পাঠাগার” এর আত্মপ্রকাশ নীলফামারীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবিতে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে বজ্রপাতে দুই গাভীর মৃত্যু, দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুছার রহমান চির নিদ্রায় সায়িত হলেন এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের সহধর্মিনী কোহিনুর বেগম । সাপাহারে রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত পশু চামড়ার স্তুপ দুর্গন্ধে জনজীবণ অতিষ্ঠ সাপাহার আম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান সাপাহারে জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় পোরশায় ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ইন্তেকাল নওগাঁয় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, শহরের বাইরে বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ না করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নওগাঁর নিয়ামতপুর : নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ না করার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেবাগ্রহীতারা। অভিযোগ রয়েছে, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ কাজের ধরন ও জমির পরিমাণ অনুযায়ী ঘুষের হার নির্ধারণ করে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাজিনগর ইউনিয়নের বাঐচন্ডি হঠাৎপাড়া গ্রামের সেবাগ্রহীতা রাব্বুল হাসানের কাছ থেকে তিনি এক একরের বেশি জমির কাজের জন্য প্রকাশ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। টাকা নিজের পকেটে রাখার পর সেবাগ্রহীতাকে শুধু বলেন, “আপনি চলে যান।” কিন্তু এরপরও কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি।

সেবাগ্রহীতা রাব্বুল হাসান বলেন, “শিবপুর ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না। টাকা দিলেও বারবার ঘুরতে হয়।”

একই ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের লুৎফর রহমান জানান, জমি খারিজের জন্য প্রায় ১৫ দিন ধরে অফিসে ঘুরছেন। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি খারিজের জন্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “নায়েব সাহেবকে নিজ হাতে টাকা দিয়েছি, কিন্তু কোনো রশিদ দেয়নি। এত টাকা দেওয়ার পরও বলছে আরো টাকা লাগবে।

আরেক ভুক্তভোগী তপন কুমার সাটিয়ার, যিনি দীর্ঘ আট বছর ধরে হাজিনগর-চন্দননগর ভূমি অফিসে খণ্ডকালীন কর্মচারী ছিলেন, জানান নতুন অফিসে যোগ দেওয়ার পর সহকারী ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে সরকারি খাজনার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের চাপ দেওয়া হতো। এতে অসম্মতি জানালে তাকে কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়।

ঘুষের এসব অভিযোগ জানতে চাইলে অত্র ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ ঘুষ নেওয়ার ঘটনা স্বীকার করে বলেন, “কিছু ব্যক্তিকে অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সরকারি ফি ছাড়া আমি কোনো লেনদেন করিনি।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল ইসলাম জানান, অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবহিত নন। তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করা হবে। সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *