March 3, 2026, 11:44 am

শিরোনাম :
বিটিসিএলে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে লাগবে ঊর্ধ্বতনদের বিশেষ অনুমতি পুঠিয়ায় ৩ সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে আকবর এগ্রো অটো রাইস মিল ও বীজ হিমাগারে আলু সংগ্রহের উদ্বোধন অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মার্কেট দখল ও অপরাধের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’-সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ পোরশায় নিতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে লাচ্ছা-সেমাই কারখানায় মোবাইল কোর্টে’র অভিযান, ২০হাজার টাকা জরিমানা রাজপথের লড়াকু সৈনিক নুরুজ্জামান খান মানিক: তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর!

রাজশাহীতে প্রাচীণ পুকুর রক্ষায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহী ব্যুরোঃ
রাজশাহীতে পুকুর রক্ষায় মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। নগরীর সাহাজিপাড়া এলাকার প্রাচীন গাইনামক পুকুরটির ভরাট বন্ধ ও সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকার প্রায় তিন শতাধিক নারী – পুরুষ যুবক সহ এলাকাবাসী ও স্থানীয় নেতারা।
মঙ্গলবার (২৪শে ফেব্রুয়ারী) বেলা ১২টার দিকে পুকুর পাড়েই এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজশাহী মহানগর মৎস্যজীবী দলের সাবেক সভাপতি প্লাবন আহমেদ বলেন, “এই পুকুরটি এলাকার মানুষের জন্য একান্ত জরুরি। এই পুকুর ছাড়া আশেপাশে এক-দেড় কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো পুকুর নেই। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এই পুকুরটির পানি ব্যবহার করেই আগুন নেভানো হয়েছিল। এই পুকুরটি এই এলাকার জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যারা এই পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

প্রবিন নেতা মোঃ সোহেল রানা বলেন, “হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজশাহীতে দেদারসে পুকুর ভরাট চলমান রয়েছে। এভাবে অবৈধ পুকুর ভরাট বন্ধ না করলে প্রাণের শহর রাজশাহী নগরী আগামীতে জলাধার শূন্য হয়ে পরবে এই এলাকার আনুমানিক প্রায় ৩-৪শ পরিবারের রক্ষা কবজ এই প্রাচীন পুকুরটি, এই পুকুরটি রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে সকল এলাকাবাসীকে নিয়ে আমরণ অনশনে করবো। তুবুও অবৈধ পুকুর ভরাট করতে দেবনা।

স্থানিয় বাসিন্দা মোঃ জাকাউল ইসলাম বলেন, “রাজশাহীর আর কোনো পুকুর হত্যা করতে দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে পুকুর ভরাট করার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তি মালিকানাধীন সব পুকুর, জলাশয়, জলাধারগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে অধিগ্রহণ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, এই পুকুরটি না থাকলে এলাকার সকল মানুষের নিত্যদিনের নানাবিধ প্রয়োজনে পানি পাওয়ার আর কোনো জায়গা থাকবে না, এমন কি ভবিষ্যতে কোন অগ্নি কান্ডের ঘটনা ঘটলে পানির অভাবে নির্বাপন করা সম্ভব হবে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পুকুরটি সংরক্ষণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *