• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫
শিরোনামঃ
পোরশায় অপরাধ ও মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা, পুলিশ বক্সের উদ্বোধন পোরশায় পুকুরে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বালুখালী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের মাদক কারবারি জামালের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ “গোদাগাড়ীতে মাদক সিন্ডিকেটের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল রানা” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: ভূমি মন্ত্রীর মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে ২৫ কেজি নিমের বীজ দিলেন ‘তাল বেলাল’ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নীলফামারীতে জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬ উদ্বোধন মহামান্য চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বীক্রমকে পবিপ্রবির মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান এর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পোরশার নোচনাহারে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৪ আম, মণ ৫ -৬ হাজার জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু সংস্কার পবিপ্রবিতে মাদক বিরোধী সচেতনতা তৈরিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

প্রতারণার অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের ‎বিরুদ্ধে তিন মামলা

Reporter Name / ৪৯০ Time View
রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলার গৌরব রিপোর্টঃ এক কোটি ২০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা না দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো এভিয়েশনের পরিচালক সালমান এফ রহমান এবং তার ভাই এ এস এফ রহমানসহ (সোহেল এফ রহমান) ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করা হয়েছে।

আজ রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মহানগর হাকিম নাজমিন আক্তারের আদালতে মামলাটি করেন বেক্সিমকো এভিয়েশনের তিন পাইলট।

তারা হলেন- ক্যাপ্টেন মো. মাহবুব আলম, ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রাশেদুল আমীন ও ক্যাপ্টেন জাহিদুর রহমান।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন- এভিয়েশনের আব্দুল্লাহ খান মজলিশ, তার ভাই ইমরান খান মজলিশ, গুলজার হোসাইন এবং সৈয়দ সামিউল ওয়াদুদ ওরফে সামি ওয়াদুদ।

এসময় আদালত বাদীদের জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সিআইডি পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সালমান এফ রহমানের কোম্পানি এভিয়েশন লিমিটেডে তারা চাকরি নিয়েছিলেন পাইলট হিসেবে। সালমান এফ রহমান দেশের বিভিন্ন জায়গায় হেলিকপ্টারে করে যাওয়া-আসা করতেন।

কোম্পানিতে থাকাকালে তারা (পাইলটরা) বেতন ভাতা পেয়েছিলেন ঠিকই। ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের পাওনা বাকি রেখে টার্মিনেট করা হয়। তাদের পাওনা কোটি টাকার বেশি। পরে তারা জানতে পারেন কোম্পানিটি ছিল ভুয়া। একটি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে তারা আমাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিয়েছেন এবং নিশ্চয় আরও শত শত কোটি টাকাও লোপাট করেছেন।

তারা (আসামি) আমাদের পাওনা টাকা থেকে বঞ্চিত করেছে। আসামিরা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com