• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৮
শিরোনামঃ
বাঘায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নগদ ৩ লক্ষ টাকাসহ ১০টি ঘর ভস্মীভূত! বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর সেনা মোজাফফর আলী ভূঁইয়ার মৃত্যু:রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নন্দীগ্রামে চিকিৎসাসেবাকে আরও জনবান্ধব করতে ডা. লিটনের চেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি পোরশায় কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন সান্তাহারে পিরানহা মাছ চাষ করায় অভিযান; দুই মাছ চাষীকে অর্থদণ্ড প্রদান কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‌্যাগিংয়ের নির্মমতায় হাসপাতালে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী, তদন্তে প্রশাসন নওগাঁয় জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার খরচ মেটাতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ও ৬ সাংবাদিককে মারধর: দুই ওসির প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে মরহুম কোকোর জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবকদলের চারা বিতরণ

সরকারি চাউলের কার্ড চাওয়ায় বৃদ্ধাকে মারধর, পুত্রবধূসহ হাসপাতালে ভর্তি

Reporter Name / ১৩১ Time View
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহী ব্যুরোঃ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নম্বর জয়নগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্মপুর গ্রামে সরকারি ভিজিএফের চাউলের কার্ড চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধা ও তার পুত্রবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির স্থানীয় নেতা সুলতান (৪৫) ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাউলের কার্ড প্রস্তুতের কাজ করছিলেন। এ সময় ভিকটিম মোছাঃ আলিমন বেগম (৬৫) তার কাছ থেকে একটি কার্ড চাইলে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।

আলিমন বেগমের অভিযোগ, কার্ড চাইলে তাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়— “তোরা সবাই জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়েছিস, তোর নাতিরা জামায়াতের টোকেন বিতরণ করেছে। তোরা এই কার্ড পাবি না।” একপর্যায়ে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এ সময় তার পুত্রবধূ মোছাঃ রেশমা বেগম (২৬) শাশুড়িকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। মারধরের সময় তার হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং কেটে যায়।

পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার সময় উপস্থিত না থাকলেও পরে হাসপাতালে গিয়ে স্ত্রী ও মায়ের অবস্থা দেখেন রেশমা বেগমের স্বামী। তিনি বলেন, “আমি ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম না। পরে এসে দেখি তারা হাসপাতালে ভর্তি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com