• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২
শিরোনামঃ
মানসিক সুস্থতা গড়তে জলঢাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা নাটকের মাধ্যমে গণসচেতনতা ছড়াচ্ছে নওগাঁ গণথিয়েটার পোরশার নিতপুর প্রধান সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী তথ্য অধিকার আইনে নিয়োগের নথি চেয়ে আবেদন, তথ্য দিতে গড়িমসির অভিযোগ মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে পবিপ্রবিতে নতুন ‘হেলথ সায়েন্স’ অনুষদ অনুমোদিত আদমদীঘিতে সার চোরাচালান; ডিলারের জরিমানা ও সিলগালা আদমদীঘিতে খাল খননে ফিরলো কৃষকের সুদিন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে প্রকাশ্য মামলার হুমকি নন্দীগ্রামে জমিজমার বিরোধে কুড়ালের কোপে যুবক আহত, হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে ২০ শয্যা হাসপাতাল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

রাজশাহী-১ আসনে লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের, এগিয়ে বিএনপির শরীফ উদ্দিন

Reporter Name / ১২৯ Time View
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহীঃ

ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনটি। এ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন নেত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন। জামায়াত থেকে কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। ইতিপূর্বেই দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়। যদিও নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি। কিন্তু দুই প্রার্থী দিনরাত সমান তালে ভোটের মাঠ চোষে বেড়াচ্ছেন। তবে জামায়াতের প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দিন। তারা সমান তালে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় থেকে শুরু করে কুশল বিনিময় করছেন। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি না।জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন মেজর জেনারেল (অব) শরীফ উদ্দিন। বিগত ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের মত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি প্রার্থী হিসেবে ভোট করেন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। তিনি মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিনের আপন বড় ভাই। ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মৃত্যুর পর এই আসনে বিএনপির হাল ধরেন শরীফ উদ্দিন। গত ২০১৮ সালে নির্বাচন শেষ বারের মত লড়াই করেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ওই নির্বাচনের পর ২০১৯ সালে ব্যারিস্টার মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর তানোর ও গোদাগাড়ীর বিএনপি অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। দলের হাল ধরেন মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন। 
 বিএনপির দলীয় সুত্র জানায়, বিগত ১৯৯১ সালে প্রথম বারের মত এমপি নির্বাচিত হয়ে সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার। প্রতিমন্ত্রী হয়ে দুই উপজেলায় উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যায়। যার কারনে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন তিনি। তবে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আ”লীগ। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াতসহ চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে পুনরায় বিজয়ী হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। দায়িত্ব পায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর। দুই উপজেলায় বাকি উন্নয়ন কাজ করতে সক্ষম হন তিনি। ২০০৮ সালের ফখরুদ্দিন ও মঈন উদ্দিনের পাতানো নির্বাচনে পরাজিত হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা এমপি নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করেন। এরপর ২০১৪ সালের এক তরফা নির্বাচন বর্জন, ২০১৮ সালের দিনের ভোট রাতে এবং ২০২৪ সালে আমি ডাবি নির্বাচন বর্জন করে। তৃনমুলের ভাষ্য, তানোর গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত। এখানে যতই হেভিওয়েট প্রার্থী থাক না কেন। ধানের শীষের প্রার্থী কে পরাজয় করা যাবেনা। বিগত তিনটি নির্বাচনে জনসাধারণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।তৃনমূলের ভোটার আব্দুল, আইয়ুব, জারদিস, মোবারক, মোস্তফা সহ অনেকে জানান, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। কারন এলাকার উন্নয়ন চাইলে ধানের শীষের বিকল্প নাই। মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে মরিয়া হয়ে আছে।পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক নুর হাসান মাহমুদ রাজা জানান, ভোটের প্রচারণা শুরু হয়নি এজন্য ধানের শীষের জোয়ার বোঝা যাচ্ছে না। প্রচারণা শুরুর পর সবাই বুঝতে পারবে ধানের শীষের কি পরিমান জোয়ার আছে। ধানের জোয়ারে অন্যরা ভেসে যাবে। তবে প্রতিপক্ষ কে আমরা কখনো ছোট করে দেখিনা। দেশ রক্ষা ও ব্যারিস্টার আমিনুল হকের বাকি উন্নয়ন সমাপ্ত করতে হলে মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিনের বিকল্প নাই। ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল জানান, আগামীর নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন হবে। এটা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার বলেছেন। সুতরাং ভোটারদের দ্বারেদ্বারে গিয়ে মন জয় করতে হবে। কারন আগামীর নির্বাচন দেশ রক্ষার নির্বাচন। এই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী কে বিজয়ী করতেই হবে। একারনে সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বসে থাকার সময় না। সকল ভোটারের কাছে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে হবে। এআসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। কারন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে হলে এবং তার মানবিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে শরীফ উদ্দিনের বিকল্প নেই। সাবেক আরেক ছাত্র নেতা সুলতান আহম্মেদ জানান, যেহেতু ভোটের প্রচার প্রচারণা শুরু হয়নি। তারপরও দলীয় ভাবে মরহুমা বেগম জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে নারী পুরুষ সবাই ধানের শীষে ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে। ইনশাআল্লাহ ধানের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান জানান, এদুই উপজেলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশ চুম্বি। তারমত জনপ্রিয় নেতা পাওয়া খুবই কষ্টকর। তবে আমাদের এবং দুই উপজেলাবাসীর সৌভাগ্য যে ব্যারিস্টার মারা যাওয়ার পর তার ভাই মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন কে নেতা হিসেবে পেয়েছি। কারন তিনি ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার সামরিক সচিব ছিলেন। তারমত এত বড় মাপের ব্যক্তিকে আমরা নেতা হিসেবে পেয়ে গর্বিত। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগাচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী ও তার ভাই। ইতিপূর্বেই নির্বাচনে সেন্ট্রাল কমিটি থেকে শুরু করে যাবতীয় সবকিছু শেষ করা হয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন কে ভোট দিতে মরিয়া হয়ে আছেন দলীয় থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারেরা। আশা করছি দীর্ঘ সময় পর এআসন পুনরায় শরীফ উদ্দিনের মাধ্যমে উদ্ধার হবে এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com