• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫
শিরোনামঃ
বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেই সুখী হয় না মেয়ে, বিয়ের আগে মানুষ চিনুন নওগাঁয় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কাহালু-নন্দীগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ সান্তাহারে ১০ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার বাকেরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ বাঘায় মিজানুর রহমান সুমনের মানবিক যাত্রা! কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সম্মাননা স্মারক পেলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান অন্তর উৎসবমুখর পরিবেশে নওগাঁয় ‘কালো বিড়াল’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী রাসিকের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের পাঁচটি পুনঃস্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করলেন ভূমিমন্ত্রী মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা এমপি স্মৃতি আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাধবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name / ১৫৮ Time View
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

মো: এজাজ খাঁ, মাধবপুর উপজেলা প্রতিনিধি:
মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেন।
অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ বাড়ির পাশেই কী কারণে পোস্টিং পেয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি রোগীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ২০ টাকা না নিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে অনেক সময় ১০টার পর ক্লিনিক চালু করেন এবং রোগীদের ডেকে আনতে হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
আরও অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজের বাসার ওষুধের প্রচার করেন এবং বিভিন্নভাবে রোগীদের সেগুলো কিনতে প্রলুব্ধ করেন। কোনো তরুণী রোগী এলে তিনি দীর্ঘ সময় গল্পে মেতে থাকেন, ফলে অন্যান্য রোগীদের অপেক্ষা করতে হয়। হঠাৎ পরিদর্শন করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী।
এছাড়া ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়মিত চুরি হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অথচ কর্মকর্তার বাড়ি খুব কাছেই হওয়ায় বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। চুরির ঘটনায় নিরীহ এলাকার যুবকদের জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ অবস্থায় এলাকার কিছু মানুষ ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও তাকে বদলি করা হয়নি। এক নারী জানান, তিনি ওষুধ নিতে গেলে তাকে কেবল এন্টাসিড দেওয়া হয়, অন্য কোনো ওষুধ নেই বলে জানানো হয়। তবে পরিচিত কেউ গেলে প্যাকেটভর্তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com