• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৩১
শিরোনামঃ
আমরা জুলাই যোদ্ধা’ নীলফামারী জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা হলেন ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন বাঘায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ’কে সংবর্ধনা। দপদপিয়ায় নারীর নেতৃত্ব: সংরক্ষিত আসনে মোসাঃ নীলা আক্তারের প্রার্থীতা ঘোষণা বাকেরগঞ্জে মিড-ডে মিলের খাবারসহ প্রধান শিক্ষিকা ধরা, ব্যাগে মিলল ২৪ ডিম ও ২২পিস রুটি সাপাহারে মুক্ত স্কাউটের উদ্যোগে তৃষ্ণার্তদের মাঝে শরবত বিতরণ নির্মাণের কয়েক বছরে মধ্যেই  ধসে পড়ল কালিগঙ্গা সেতুর সংযোগ সড়ক!  চরম ঝুঁকিতে লাখ লাখ মানু টেকনাফে বিজিবি’র যৌথ অভিযান: মায়ানমার হতে পাচারকৃত ৫ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার নন্দীগ্রামে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠল টিসিএ কাপ সিজন-২ (২০২৬) ২৮ জুন চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

বগুড়ার শেরপুরে ফুলকপির কেজি ২ টাকা! লোকসানে কৃষক

Reporter Name / ১৪২ Time View
রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহিদুল ইসলাম শাওন,শেরপুর (বগুড়া):
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ কাঁচা-শাক সবজির পাইকারি ফুলবাড়ি বাজার শীতকালীন সবজিতে ভরপুর। পুরো হাটজুড়ে সবুজ শাক সবজিতে ঠাঁসা। সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা ভালো দামের আশায় তাদের উৎপাদিত সবজি বিভিন্ন যানবাহনে করে এই হাটে আনেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ও থাকে অনেক বেশি। পুরো উপজেলার সকল সবজি বিক্রেতা এই সবজি হাট থেকে পাইকারিতে সবজি কিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারে বিক্রি করেন। কিন্তু, হাটে কাঙ্ক্ষিত দাম না থাকায় শীতকালীন সবজি ফুলকপির দামে ধস নামায় কৃষকরা লোকসান গুণছেন। চাহিদার তুলনায় প্রচুর আমদানি, ক্রেতা সংকট ও মজুতের সুবিধা না থাকায় বাধ্য হয়ে টাটকা শাকসবজি কম দামে বিক্রি করছেন। এতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাড়িদহ, খামারকান্দি, মির্জাপুর, খানপুর ইউনিয়নে শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজির পাশাপাশি ফুলকপি চাষ করা হয়েছে।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি পাইকারি সবজি বাজারে প্রতি মন (৪০ কেজি) ফুলকপি বেচা কেনা হয় ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমি থেকে পাইকারি পর্যায়ে এক কেজি ফুলকপি দুই টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। অথচ একটি ফুলকপি চাষ করতে তাদের কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে অন্তত পাঁচ টাকা থেকে সাত টাকা। চড়া দামে সার, বীজ, কীটনাশক কিনে তারা সবজি চাষ করেছেন। অথচ দুই সপ্তাহ ধরে শীতকালীন সব সবজির দামে ধস নেমেছে। এতে কম দামে সবজি বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠছে না চাষিদের। এতে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হওয়ার উপক্রম।
বাজারে আগত কৃষক রফিকুল জানান, গত এক মাস আগে ফুলকপির বাজার ছিল ২ হাজার টাকা থেকে ২৫শ টাকা মন। ১৫ দিন আগে ছিল ১ হাজার টাকা থেকে ১২শ’ টাকা মন গত এক সপ্তাহ আগে বাজার দর ছিল ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা মন। গত তিন দিন ধরে ফুলকপি বেচা কেনা হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা মন দরে।

হঠাৎ করে বাজার দর কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ মজুরি খরচ ও বাজারে আনতে পরিবহন খরচও তোলা যাচ্ছে না। এ রকম বাজার দর থাকলে কৃষক ফুলকপি বিক্রি করে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

বাজারে আগত পাইকার কারিমুল জানান, গত কয়েক দিন ফুলকপি চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানি বেশি হয়েছে আর সেই কারণেই বাজারে ফুলকপির দাম কমে গেছে।

উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জুলফিকার হায়দার বলেন, এ বছর উপজেলায় সবজির ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে সবজির কোনো ঘাটতি নেই। চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদনের কারণে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com