June 17, 2026, 12:46 am

শিরোনাম :
নওগাঁর মান্দায় নিজ অর্থায়নে সমাজসেবক লুৎফরের রাস্তা সংস্কার নানা আয়োজনে নওগাঁয় বর্ষা উৎসব পালিত সাপাহারে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের অভিযান: টেকনাফে ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক বেলকুচিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে ডিসির মতবিনিময় ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ হ্নীলা ইউনিয়ন: নিম্নমানের ইট দিয়ে সড়ক সংস্কারের অভিযোগ, ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা নওগাঁ শহরের নিরাপত্তায় ডিজিটাল নাইট ভিশন এআই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থপনের উদ্যোগ পুলিশ সুপারের সান্তাহারে ১২ কেজি গাজা ও একটি পালসার মোটরসাইকেল উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁটাতারের ভেতরে বসবাসরত স্থানীয়দের অধিকার রক্ষায় অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভুয়া সেনাসদস্য পরিচয়ে একাধিক বিয়ে, অতঃপর পুলিশের হাতে আটক

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভুয়া সেনাসদস্য পরিচয়ে একাধিক বিয়ের ঘটনায় এক ভুয়া সেনাসদস্য আটকের ঘটনা ঘটেছে।
গত ২৬ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শ্রী সাগর প্রামানিক (২৫), পিতা-মৃত যোগীন্দ্রনাথ, সাং- ছাতড়াহাট, থানা-নিয়ামতপুর, জেলা- নওগাঁ, সেনাবাহিনীর সৈনিক পরিচয় দিয়ে বিগত ৫-৬ মাস পূর্বে কুমারী সনজিতা রানী (২৩), পেশা- ছাত্রী, পিতা- সুখেন চন্দ্র প্রামানিক, সাং- কলেজপাড়া, থানা- নন্দীগ্রাম, জেলা- বগুড়াকে হিন্দু সম্প্রদায়ের রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এরপর সানজিদা রানী অন্তঃসত্বা হলে তার পরিবার সাগরের সকল সত্যতা জানতে পেরে সাগরকে পুলিশে সোপর্দ করে।
শ্রী সাগর প্রামানিক আসলে কোন চাকুরীই করে না সে মিথ্যা সৈনিক পরিচয় ও নাম ঠিকানা দিয়ে একাধিক বিয়ে করে প্রতারণা করেছে। উক্ত ঘটনায় ভুয়া সেনাসদস্য শ্রী সাগর প্রামাণিক আনুমানিক অর্ধ-কোটিরও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।
ভুয়া সেনা সদস্য শ্রী সাগর প্রামানিক বলেন, আমি এর আগেও দুটি বিয়ে করেছি, এছাড়াও রাজশাহীতে আরেক বউ আছে। ওই পক্ষে নয় বছরের এক ছেলে ও তিন মাসের একটি মেয়ে আছে। সে এসব ঘটনার সত্যা স্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন, আমি প্রথমে আমার এলাকার ছাতরা গ্রামে বিয়ে করি। সে রাজশাহীতে থাকে। পরে নওগাঁ সদরের পাপিয়া মহন্তকে বিয়ে করি। তার কিছুদিন পরে নন্দীগ্রামে বিয়ে করেছি। সেনা সদস্যের আইডি কার্ড ও পোশাক ঢাকা থেকে বানিয়ে নিয়েছি। এসব টাকা নিয়ে আমি আমার গ্রামে বাড়ি বানিয়েছি ও কিছু টাকা খরচ করেছি। আমার সব ভুল হয়েছে।
এবিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সে এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ভুক্তভোগীরা মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *