• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪
শিরোনামঃ
পবিপ্রবিতে নতুন ‘হেলথ সায়েন্স’ অনুষদ অনুমোদিত আদমদীঘিতে সার চোরাচালান; ডিলারের জরিমানা ও সিলগালা আদমদীঘিতে খাল খননে ফিরলো কৃষকের সুদিন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে প্রকাশ্য মামলার হুমকি নন্দীগ্রামে জমিজমার বিরোধে কুড়ালের কোপে যুবক আহত, হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে ২০ শয্যা হাসপাতাল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন জমি বিরোধে বৃদ্ধের উপর হামলা, সুদের কারবার নিয়েও উঠল নানা অভিযোগ নন্দীগ্রামে সবুজ মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুকখোলের আগমন, মুখর চারিদিকের প্রকৃতি লালপুরে ২৪ ঘণ্টায় দুই ভাই তুহিন ও তুষারের রহস্যজনক মৃত্যু, পরে বাবা অসুস্থ গৌরীপুরে বিএমএসএফের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি কমল, সম্পাদক বুরহান​

পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের

Reporter Name / ৪৭ Time View
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

পোরশা(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুরে ব্যতিক্রমী এক খাবার বিক্রি করে দীর্ঘ আট বছর ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন শফিকুল ইসলাম। কোনো চটকদার বা নামী-দামী খাবার নয়, কেবল ‘পটল পাতার বড়া’ বিক্রি করেই তিনি আজ স্বাবলম্বী। তাঁর এই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের গল্প স্থানীয়দের মাঝে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আট বছর আগে এক বুক আশা আর সামান্য পুঁজি নিয়ে উপজেলা সদরে পটল পাতার বড়া বিক্রি শুরু করেন শফিকুল। শুরুতে অনেকেই বিষয়টিকে সাধারণ মনে করলেও, শফিকুলের হাতের জাদু আর চমৎকার স্বাদের কারণে অল্প দিনেই এই বড়া বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বিকেল হতেই তাঁর দোকানে ভিড় জমান দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভোজনরসিকরা।

​”শুরুর দিকে কাজটা সহজ ছিল না। কিন্তু আমি দমে যাইনি। পটল পাতার বড়া তৈরি করতে বেশ পরিশ্রম হয়। পাতা সংগ্রহ থেকে শুরু করে মশলার সঠিক মিশ্রণ তৈরি—সব নিজেই করি। এই আট বছর ধরে এই বড়া বিক্রি করেই আমার সংসার চলছে, সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছি। মানুষের ভালোবাসাই আমার এই কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”

​দোকানে আসা কয়েকজন নিয়মিত ক্রেতা জানান, শফিকুলের হাতের পটল পাতার বড়া অত্যন্ত মুচমুচে ও সুস্বাদু। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি এই বড়া পোরশা এলাকার একটি জনপ্রিয় নাস্তায় পরিণত হয়েছে। দামেও সাশ্রয়ী হওয়ায় সব শ্রেণীর মানুষই এটি পছন্দ করেন।

​কোনো কাজই যে ছোট নয়, শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ আট বছর ধরে তা প্রমাণ করে চলেছেন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা অথবা সহজ শর্তে ঋণ পেলে তাঁর এই ক্ষুদ্র ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় সচেতন মহল। শফিকুলের এই সততা ও কর্মসংস্থানের প্রচেষ্টা সমাজের বেকার যুবকদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com