• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩
শিরোনামঃ
মাদক বিরোধী ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জের বিপক্ষে দুমকির দাপুটে জয় রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য পড়াশোনা করে ভালো মানুষ হও, তোমাদের অপেক্ষায় দেশ—এমপি মোশারফ স্ত্রীর সাথে অভিমান করে বাকেরগঞ্জে যুবকের আত্মহত্যা পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় এমপি মোস্তাফিজুর রহমানকে বাজিনাপুকুর-শিমুলডাঙ্গা গ্রামবাসীর সংবর্ধনা প্রদান মাদক সেবনের সংবাদ প্রকাশের জেরে নীলফামারীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা নন্দীগ্রামে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডা. লিটনের প্রচেষ্টায় ভায়া মেডিকেল ক্যাম্প ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন পবিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ উদ্বোধন করলেন ভিসি ড. হেমায়েত জাহান

নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে প্রথম মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৪০

Reporter Name / ১০০ Time View
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবু সালেহ রিয়াজ ||         নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মো. সামিত (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়।

জেলায় চলমান হাম পরিস্থিতির মধ্যে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। নিহত সামিত সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার উচ্চমাত্রার জ্বর, শরীরে র‍্যাশ এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট ছিল।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা না থাকায় অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়।

নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার বিকেলে হামের উপসর্গ ও প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে শিশুটি ভর্তি হয়েছিল। তার জরুরি আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন ছিল। আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও পরিবারের সামর্থ্য না থাকায় তারা যেতে পারেননি এবং ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

এদিকে জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৪০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট ৯৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৬২ জন রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য একজনকে রেফার্ড করা হয়েছে।

জেলায় হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসকরা অভিভাবকদের বিশেষ সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি শরীরে হাম-সদৃশ কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com