• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫১
শিরোনামঃ
বাঘায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নগদ ৩ লক্ষ টাকাসহ ১০টি ঘর ভস্মীভূত! বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর সেনা মোজাফফর আলী ভূঁইয়ার মৃত্যু:রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নন্দীগ্রামে চিকিৎসাসেবাকে আরও জনবান্ধব করতে ডা. লিটনের চেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি পোরশায় কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন সান্তাহারে পিরানহা মাছ চাষ করায় অভিযান; দুই মাছ চাষীকে অর্থদণ্ড প্রদান কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‌্যাগিংয়ের নির্মমতায় হাসপাতালে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী, তদন্তে প্রশাসন নওগাঁয় জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার খরচ মেটাতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ও ৬ সাংবাদিককে মারধর: দুই ওসির প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে মরহুম কোকোর জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবকদলের চারা বিতরণ

তথ্য অধিকার আইনে নিয়োগের নথি চেয়ে আবেদন, তথ্য দিতে গড়িমসির অভিযোগ মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে

মেহেদী হাসান অন্তর নওগাঁ / ১৪৯ Time View
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

মেহেদী হাসান অন্তর, নিজস্ব প্রতিবেদক: নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম হাটখোলা দাখিল মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ময়েন উদ্দীনের নিয়োগ-সংক্রান্ত নথিপত্র চেয়ে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আবেদন করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সুপার এনামুল হকের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, প্রথমে মৌখিকভাবে নিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য চাইলে সুপার এনামুল হক তা দিতে অসম্মতি জানান। পরে গত ২১ জুন তার কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদন গ্রহণের বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন।

আবেদনপত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি, প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি, নিয়োগ বোর্ডের কার্যবিবরণী, শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই-সংক্রান্ত নথি, নিয়োগ অনুমোদনপত্র, যোগদানপত্র, স্থায়ীকরণ-সংক্রান্ত কাগজপত্র, এমপিওভুক্তির নথি এবং প্রার্থীর দাখিল করা সব শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সনদের অনুলিপিসহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়।

আবেদনকারীর অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।

গত ১৩ জুলাই মাদ্রাসায় গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার এনামুল হক বলেন, “সার্টিফিকেট জাল কি না, আমি জানি না। সেটি যাচাই করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কমিটির সভা করেছি এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি নির্দেশনা না দিলে আমি তথ্য দিতে পারব না।”

এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিয়োগপ্রাপ্ত ময়েন উদ্দীন ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছেন এবং সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত দায়িত্বও পালন করেন না।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, অতীতে সুপারের স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি পুনরায় চাকরিতে যোগ দেন।

প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ময়েন উদ্দীন সাংবাদিককে অর্থ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য না পাওয়ায় আবেদনকারী গত ১৯ জুলাই মহাদেবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আপিল আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, নিয়োগে অনিয়ম, ভুয়া সনদ ব্যবহার এবং ঘুষের চেষ্টার অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সত্যতা নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com