• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪
শিরোনামঃ
নওগাঁয় ‘ব্যাড টাচ’ পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির অভিযানে যুবক গ্রেপ্তার সাপাহারে কৃষিজমিতে অবৈধ ইটভাটা স্থাপন, মোবাইল কোর্টে লাখ টাকা জরিমানা রাজশাহীর নতুন পুলিশ সুপারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর সান্তাহারে সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টুর আর্থিক সহায়তা প্রদান আদমদীঘিতে এমপি কর্তৃক অসহায় মানুষের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান নওগাঁ হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: হাসপাতালে স্যালাইন মজুতের পরও রোগীকে না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ নন্দীগ্রামে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি’র দায়ে মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও মাছ জব্দ নন্দীগ্রাম কুন্দারহাট হাইওয়ে থানায় নয়া ওসি রইছ উদ্দিনের যোগদান প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জাতীয় মঞ্চে নন্দীগ্রামের সুমি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিলেন পুরস্কার নীলফামারী চেম্বারের নেতৃত্বে মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার

জাতীয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্তা ও অবরুদ্ধ করার চেষ্টা!

Reporter Name / ১৪৭ Time View
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এম আনোয়ার হোসেনঃ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে একদল শিক্ষার্থীর হাতে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। ফোকলোর বিভাগে তালা দেওয়ার ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করার চেষ্টা এবং পরবর্তীতে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপহাস করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টের সূত্র ধরে ফোকলোর বিভাগে তালা দেওয়ার ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে যান দৈনিক অর্থনীতি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার লুৎফা সরকার নিশু, দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ত্রিশাল প্রতিনিধি জাকিয়া বেগমসহ কয়েকজন সাংবাদিক। সেখানে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে তালা দেওয়ার কারণ এবং নেতৃত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পরিচয় দেওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে তাদের জেরা করতে শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, “আপনাদের কে পাঠিয়েছে? আমরা না ডাকলে কেন এসেছেন? আমাদের নিজস্ব সাংবাদিক আছে, বাইরের সাংবাদিক কেন আসবে?” ​একপর্যায়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন এবং ‘মব’ তৈরির পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, “লিফট ও কেচিগেট বন্ধ করে দাও, এদের আটকে রাখো।” পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে নিরাপত্তার স্বার্থে সাংবাদিকরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

​ঘটনার এখানেই শেষ নয়। সাংবাদিকদের চলে আসার কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, ওই শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। বিভিন্ন গ্রুপ ও আইডিতে ওই ভিডিও পোস্ট করে সাংবাদিকদের নিয়ে চরম উপহাস ও বিদ্রূপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালনে গিয়ে এমন আচরণের শিকার হওয়াকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সবারই সম্মান করা উচিত। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন আচরণ সত্যিই দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।”

​এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com