• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯
শিরোনামঃ
আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮ পবায় মিজানুর-ইসমাইল সিন্ডিকেট,বদলির এক মাসেও কর্মস্থল ছাড়েননি নিরাপত্তা প্রহরী নন্দীগ্রাম উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাপাহারে গণঅভ্যুত্থান-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৮০৫ লিটার চোলাই মদের উপকরণ জব্দ ও ধ্বংস, মামলা ৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নতুন ইউএনও পদায়ন নীলফামারী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষের অভিযোগ ‘ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে সাবেক আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টদের প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে’—দাবি একাংশের নেতা-কর্মীদের জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রাজশাহীর জোড়া সাফল্য: ক্রিকেটে বালক দল চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলে বালিকারা রানার্স-আপ বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে পৃথক দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার,

আজ ১৮ ডিসেম্বর নওগাঁ হানাদার মুক্ত দিবস

Reporter Name / ১৫৮ Time View
বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে বিজয় দিবস পালিত হলেও দেশ স্বাধীনের দুই দিন পর আজ ১৮ ডিসেম্বর নওগাঁকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এদিন প্রায় দুই হাজার পাকিস্তানি সেনা নওগাঁর যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের আক্রমণের শিকার হয় নওগাঁ। পরে প্রায় এক মাস মুক্ত ছিল। ২২ এপ্রিল নওগাঁ পাক হানাদারদের দখলে চলে যায়। প্রায় সাড়ে ৭ মাস ধরে পাক হানাদার বাহিনীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালায়। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঢাকায় আত্মসমর্পণ করে। এ খবর শোনার পরও নওগাঁর পাকিস্তান সেনাবাহিনী অত্মসমর্পণ করবে না বলে ঘোষণা দেয়। ফলে কমান্ডার জালাল হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে পর দিন সকাল ৭টার দিকে প্রায় ৩৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা নওগাঁ শহরের দিকে অগ্রসর হন। ১৭ ডিসেম্বর, শীতের সকাল। মুক্তিবাহিনী জগৎসিংহপুর ও খলিশাকুড়ি গ্রামে আসতেই পাকিস্তানি সেনারা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে। সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উভয় পক্ষে প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে ৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আহবায়ক এস.এম. সিরাজুল ইসলাম জানান, ১৮ ডিসেম্বর শনিবার সকালে বগুড়া থেকে অগ্রসরমান ভারতীয় মেজর চন্দ্রশেখর, পশ্চিম দিনাজপুর বালুরঘাট থেকে পিবি রায়ের নেতৃত্বে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী নওগাঁয় প্রবেশ করলে হানাদার বাহিনীর আর কিছুই করার ছিল না। ফলে সকাল ১০টার দিকে প্রায় দুই হাজার পাকসেনা নওগাঁ কেডি স্কুল থেকে পিএম গার্লস স্কুল, সরকারি গার্লস স্কুল, পুরাতন থানা চত্বর এবং এসডিও অফিস থেকে শুরু করে রাস্তার দু’পাশে মাটিতে অস্ত্র রেখে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে নতমস্তকে আত্মসমর্পণ করে। তৎকালীন নওগাঁ মহকুমা প্রশাসক সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীকে স্বাগত জানান।
বর্তমান পুরাতান কালেক্টরেট (এসডিও) অফিস চত্বরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেখানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা পতাকার প্রতি সালাম জানিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন। ফলে নওগাঁ হানাদারমুক্ত হয় আজ ১৮ ডিসেম্বর।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com