• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩
শিরোনামঃ
নন্দীগ্রামে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রাইমারী স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলনে সংহতি: ‘অপহরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত টেকনাফ-উখিয়া চাই নন্দীগ্রাম থালতা মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন বেলায়েত হোসেন আদর পোরশায় জমি সংক্রান্ত সালিশে মারামারি, ইউপি সদস্যসহ আসামিদের হামলায় আহত ৫ সাপাহারে আধুনিক হিমাগার নির্মাণ ও আম বাজার স্থানান্তর বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অ্যাব এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনের উপস্থিতিতে মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সান্তাহারে আশা আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ ; ফ্যাক্টারী সিলগালা নীলফামারী আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা ধামইরহাটে সংঘাত নয়-শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দুমকিতে মাদকের প্রতিবাদ করায় সাবেক ছাত্রনেতার ওপর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজগংয়ের হামলা

নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলনে সংহতি: ‘অপহরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত টেকনাফ-উখিয়া চাই

এস কে জাফর আলম টেকনাফ কক্সবাজার / ৯ Time View
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

এস কে জাফর আলম টেকনাফ কক্সবাজারঃ টেকনাফ-উখিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান অপহরণ, মাদক কারবার, অস্ত্রের বিস্তার ও আধিপত্যের রাজনীতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’-এর প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন জানাচ্ছি।

দেড় যুগ ধরে নানা অপরাধের ছায়ায় বসবাস করতে করতে সীমান্তের মানুষের স্বাভাবিক জীবন যেন আজ অনিশ্চয়তার কাছে জিম্মি। সন্ধ্যার পর পথ চলতে ভয়, সন্তানকে বাইরে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরাপত্তাহীনতা—এসব এখন অনেক পরিবারের নিত্যদিনের বাস্তবতা।
অপহরণ আতঙ্কে যে পরিবারগুলো রাত কাটায়, সন্তান স্কুলে গিয়ে নিরাপদে ফিরবে কি না—যে মায়েরা সেই চিন্তায় থাকেন, কিংবা মুক্তিপণের ভয়ে যে ব্যবসায়ী নিজ এলাকাতেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন—তাদের এই কষ্টকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। কারণ এই জনপদের মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন মানেই আমাদের সবার নিরাপত্তার প্রশ্ন।
মাদক ও অস্ত্রের অবাধ বিস্তার শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়; এটি একটি প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি। তাই এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ, জনসচেতনতা এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অবস্থান।
‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’ কোনো দল বা ব্যক্তির একক আন্দোলন নয়—এটি সাধারণ মানুষের নিরাপদে বেঁচে থাকার দাবি হিসেবে আরও বিস্তৃত হোক, এটাই প্রত্যাশা।
দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে টেকনাফ-উখিয়ার প্রতিটি সচেতন নাগরিককে এই দাবির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই। নিরাপত্তা কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়; নিরাপত্তা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার।
আজ একটি পরিবার সচেতন হলে একটি অপরাধ ঠেকানো সম্ভব। একটি মহল্লা ঐক্যবদ্ধ হলে অপরাধীদের জন্য পরিবেশ কঠিন হয়ে ওঠে। আর পুরো জনপদ যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও সংগঠিতভাবে দাঁড়ায়, তাহলে পরিবর্তনের পথ অবশ্যই তৈরি হবে।
তবে এই সামাজিক আন্দোলন হতে হবে শান্তিপূর্ণ, দায়িত্বশীল ও আইনসম্মত। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো অভিযোগ যেন যাচাই-বাছাই ছাড়া কারও বিরুদ্ধে অপপ্রচারে পরিণত না হয়—এ বিষয়েও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপের পাশাপাশি ঘরে ঘরে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠুক। মাদক কারবারি, অপহরণকারী, অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত হোক।
আমরা এমন টেকনাফ


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com