• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪
শিরোনামঃ
নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন বরিশালে প্রবীন সাংবাদিক পুলকের মৃ’ত্যু মরদেহের পাশে মিলল ৫ চিরকুট, কী বার্তা ছিল প্রেমের টানে ধর্ম পাল্টে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ভাঙন: মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে বাহেরচর! বাকেরগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার পর ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ নির্বাচনী উত্তাপ বেলকুচিতে: ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে মাসুদ রানার মোটরসাইকেল শোডাউন ও গণসংযোগ বাকেরগঞ্জে তুলাতলি নদীর ভাঙন রোধে ১২ হাজার ৫০০ জিওব্যাগ ফেলার প্রকল্পের উদ্বোধন ভরপাশায় চেয়ারম্যান পদে তরুণ প্রার্থী রাজিব হোসেন, মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনে এগিয়ে যেতে চান বাকেরগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস

আমির উদ্দীন বাবু উপজেলা প্রতিনিধি পোরশা নওগাঁ / ৭৫ Time View
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাহিদার তুলনায় শয্যা সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা।

৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন মেঝে বা ফ্লোরে। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা।

​হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পোরশা উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। সম্প্রতি হঠাৎ করেই সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানাবিধ মৌসুমি রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে গেছে। বেড না পেয়ে পুরুষ, নারী ও শিশু ওয়ার্ডের বারান্দা এবং ফ্লোরে শয্যা পেতে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে অনেককে।

​ফ্লোরে চিকিৎসা নেওয়া একাধিক রোগীর স্বজন অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতালে বেড খালি না থাকায় বাধ্য হয়ে মেঝেতে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। গরমে ও গাদাগাদি পরিবেশে ফ্লোরে থাকা কষ্টকর হলেও অন্য কোনো উপায় না থাকায় এখানেই থাকতে হচ্ছে।”

​তবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. কামাল উদ্দীন বলেন,

​”হাসপাতালে রোগীর চাপ প্রতিনিয়তই বাড়ছে, যার কারণে অনেক রোগীকে ফ্লোরে স্থান দিতে হচ্ছে। তবে এই সংকট খুব বেশি দিন থাকবে না। হাসপাতালটিকে অতি দ্রুত ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে।

এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার এই সংকট দূর হবে এবং তারা উন্নত সেবা পাবেন।”
​স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এই ১০০ শয্যার বাস্তবায়ন দেখতে চান, যেন সাধারণ মানুষকে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসার দুর্ভোগ পোহাতে না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com